মানিকগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্তের পথে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ

দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের অভিযুক্ত ও বাদপড়া মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্তের পথে।

জানা যায়, গত ১১, ১২ ফেব্রুয়ারি চলে উপজেলায় অনলাইনে আবেদনের ৯২ জন ও লালবার্তায় বাদপড়া ৪৪ জন মুক্তিযোদ্ধার যাছাই কাজ। বাছাইয়ে ৭ সদস্যের কমিটিতে জেলা ইউনিট কমান্ড তোবারক হোসেন (লুডু), কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি আব্দুল গফুর, জেলা কমান্ডারের প্রতিনিধি সদস্য হেলাল উদ্দিন, উপজেলা কমান্ডার সদস্য আ খ ম নুরুল হক, মুবিম-এর প্রতিনিধি সদস্য মীর উদ্দীন, জামুকা প্রতিনিধি সদস্য আ. মজিদ ফটো এবং সদস্য সচিব ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ঐদিন উপজেলা চত্বর ছিল উপচেপড়া ভিড়। অভিযোগের বহর ছিল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে।

এদিকে উপজেলার সবচাইতে আলোচিত একাধিক অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা দরগ্রাম ইউনিয়নের মৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র আব্দুর রহমান। তার বিরুদ্ধে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মজিদ ফটো এবং বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বছির উদ্দিন ঠান্ডু সহ অনেকেই অভিযোগ দিয়েছেন। আরো কয়েকটি লিখিত অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন দফতরে।

অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ছলেবলে এক তালিকায় নাম উঠিয়ে তা ব্যবহার করে সরকারি চাকরি দুই বছর বেশি করেছে । এমনকি তিনিসহ পরিবারের সকল সদস্য মুক্তিযোদ্ধার সকল সুবিধা গ্রহণ করছে। এ নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে যে, আব্দুর রহমান একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। তার বিরুদ্ধে তদন্ত স্বাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

manikganj-muktijoddha

বিষয়টি নিয়ে আঃ রহমানের সাথে কথা বললে তিনি সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয় একটি মহল আমাকে হেয় ও আমার সন্তানদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কমান্ডার আ খ ম নুরুল হক বলেন, আমরা সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই কাজ চুরান্ত করছি, আব্দুর রহমান সহ যাদের ব্যাপারে অভিযোগ আছে সঠিক তদন্ত করে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।