পুলিশে চাকরি পেয়েই চার বন্ধুকে নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ!

নিউজ ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর – নীলফামারীর ডোমারে প্রেমিক ও তার চার বন্ধুর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী।গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়ি ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামে। সে সোনারায় উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ে। তার সঙ্গে জামিরবাড়ী চাগধাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে ফরহাদ হোসেন জীবনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

জীবন সদ্য পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে যোগ দিয়েছে। কিশোরীর বাবা জানান, ২৯ জানুয়ারি বেড়ানোর কথা বলে তার মেয়েকে মোটরবাইকে করে নিয়ে যায় জীবন ও তার চার বন্ধু। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে জীবন ও তার চার বন্ধু।

পরে তাকে বাড়ির অদূরে একটি ফসলের মাঠে ফেলে রেখে যায়। অসুস্থ কিশোরী নীলফামারী হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা নেয়। এ ঘটনায় ৬ ফেব্রুয়ারি ডোমার থানায় অভিযোগ করেন কিশোরীর বাবা। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করলেও মামলা নিতে রাজি হচ্ছিল না।

 Shishu dhorson 14-10-16

পরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। কিশোরী নামে ০.৬০ একর জমি লিখে দিয়ে এবং ২৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ধর্ষণের শিকার হওয়া কিশোরীকে বিয়ে করতে রাজি হয় জীবন।শুধুমাত্র পুলিশের চাকরী বাচাতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিয়েছে বলে স্থানীয় অনেকে মন্তব্য প্রকাশ করেছে   ।

প্রেমিক ও তার চার বন্ধুর গণধর্ষণে নির্যাতিত কিশোরীর,  শেষ পর্যন্ত ধর্ষক প্রেমিকের সঙ্গে বাল্যবিয়ে দেয়া হয়েছে  ।  প্রেমিকের অপর  চার ধর্ষক বন্ধু যেন  বিয়ের বরযাত্রী!

মঙ্গলবার রাতে আবু মাওলানার বাড়িতে চুপিসারে এফিডেভিডের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। নতুন বউকে নিয়ে বাড়িতে যায় বরপক্ষ। ধর্ষণের বিচার না হয়ে উল্টো ধর্ষকের হাতে কিশোরীকে তুলে দেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বিয়ে নয়, আংটি পরিয়ে রাখা হয়েছে। মেয়ের বয়স পূর্ণ হলে বিয়ে দেয়া হবে।