চলনবিলের নতুন আলু তোলা শুরু

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ প্রতিনিধি: চলনবিলাঞ্চলে কৃষকেরা নতুন আলু তোলা শুরু করেছেন। এবার আলুর বাম্পার ফলনের আশা করলেও ভালো ফলন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন অনেক আলু চাষী।

alu

কারন হিসেবে তারা কৃষকেরা জানান, প্রতি বছরের মত এবারো আলু চাষে যুগোপযোগী সব ধরনে পরিচর্যা ও পোকা মাকর দমনের জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে। তবুও আশানুরুপ ভালো ফলন হয়নি। চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, পাবনার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, নাটোরের গুরুদাশপুর, বড়াইগ্রাম ও সিংড়া উপজেলায় এবছর আলুর চাষ হয়েছে ব্যাপক হারে। আর নতুন আলু কৃষকেরা জমি থেকে তুলে বাজারজাত করছেন।

তাড়াশ উপজেলার নওগা গ্রামের আলু চাষী নব কুমার জানান, গতবারের তুলনায় এবার আলুর ফলন ভালো হয়নি। বিগত বছরে প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছিলো ৭০-৮০ মণ হারে। এবার বিঘা প্রতি আলুর ফলন হয়েছে ৫০-৬০ মণ করে।

গুরুদাশপুর উপজেলার কাছিকাটা গ্রামের আব্দুল হাকিম জানান, এ বছর আলু ফলন যে হারে হবে বলে আশা করেছিলেন তেমন ফলন হয়নি। তাছাড়া মাঠে বড় আলুর তুলনায় ছোট আলুর সংখ্যা বেশি যার কারনে মুল্যটা বেশি পাওয়া যাচ্ছেনা। বর্তমান বাজারে নতুন আলুর দাম ৪৮০-৫৫০ টাকা মণ।

তাড়াশ বাজারের আলু বিক্রেতা হাফিজুর রহমান জানান, চলনবিলাঞ্চলে প্রায় সব হাট-বাজারে আলুর দাম ৪৮০ থেকে ৫৫০ টাকা হারে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, সকল আলু চাষিকে সঠিক ও পরিমান মত সকল প্রকার ঔষধ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে এসেছি। তাতে তাদের আলুর ফলন কম হবার কথা নয়। এখন সব কিছু নির্ভর করে আবহাওয়ার উপর। তাছাড়া চলনবিলের অন্যান্য উপজেলার চেয়ে তাড়াশে আলু চাষ হয়েছে তুলনামাপক অনেক কম।