ভোলার চরফ্যাসনে মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাসনে মশার অত্যাচারে পৌরবাসী ঘুমাতে না পারলেও ঘুম ভাঙেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ সবাই।

mossa

পৌর এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব ও মশক নিধন অভিযান না থাকায় ব্যাপক হারে মশা বংশ বিস্তার করায় এর উপদ্রব বেড়েছে। এতে নাগরিকরা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। মশা নিধনে এখনও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এই মশার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী ও গর্ভবতী মায়েরা। বর্ষা মৌসুমে মশার প্রজনন বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে মশার আক্রমণে শিশুদের স্বাস্থ্য সেবায় ঝুঁকিতে রয়েছে। মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের মধ্যে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত রোগ হচ্ছে মাইক্রোসেফালি, যা মশাবাহিত জিকা ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশেও সম্প্রতি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। অথচ সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হচ্ছে, মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় প্রশাসন মশা নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

চরফ্যাসন পৌর শহরের বাসিন্দারা জানান, মশার উপদ্রবে বেশ বেকায়দায় আছি। ছোট্ট বাচ্চাদের দিনের বেলায়ও মশারির নিচে রাখতে হচ্ছে। রাতে কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়েও মশা থেকে নিস্তার মিলছে না। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মশা নির্মুলে কোন কার্যক্রম নেই সংশ্লিষ্টদের। পৌরসভা থেকে মশা নিধনে মশার ঔষুধ ছিটানো কিংবা স্প্রে ব্যবহার করা হয়নি। কারন পৌরসভা কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে এখনও ঘুম ভাঙেনি।

এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী নাজমুল হোসেন বলেন, মশার উৎপাতে ঠিকমতো পড়তে পারছি না। কয়েল জ্বালিয়ে পড়তে বসলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। আর মশারি টানিয়ে ঘুমালেও মশারির মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে মশা।