শিববাড়িয়ায় নদী তীর দখল করে স্থাপনা নির্মানের পায়তারা

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মহিপুরে সরকারের মুল্যবান খাস জমি দখল করে ঘর তোলার পায়তারা করছে একটি মহল। ঘর উত্তোলনের সকল উপকরন রাখার জন্য নির্মান করেছে একটি রাস্তা। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় এ কাজ চলছে।

ghor

পটুয়াখালীর দক্ষিন জনপদের মৎস্য শিকারীদের পোতশ্রয় খ্যাত মহিপুর বন্দরের শিববাড়িয়া নদী ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে আসছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক শ্রেনীর সুবিধাভোগী নদী তীর দখল করে স্থাপনা নির্মানে উঠে পড়ে লেগেছে। ইতিপূর্বে এই দখল প্রক্রিয়া বন্ধে বেশ কয়েকবার উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

সর্বশেষ মহিপুর বন্দরের শিববাড়িয়া নদী তীর দখল করে বেলাল মৃধা, ফল সেলিম, শাহাজাহানসহ মোট পাঁচ জন দোকান ঘর তোলার পায়তারা করছে। এ জন্য তারা শেখ রাসেল সেতুর নিচে মহিপুর প্রেসক্লাবের পিছন থেকে তাদের দখল পর্যন্ত নদীর মাটি কেটে একটি রাস্তাও নির্মান করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানায়, রাস্তা নির্মানে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রভাবশালীদের অদৃশ্য ইঙ্গিতে সংশ্লিস্টরা এ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বেলাল মৃধা দাবী করেন, তাদের নামে ২০০৮ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে প্রদান হাল নাগাদ করা ডিসিআর রয়েছে।

মহিপুর ভূমি অফিসের তহশিলদার মোঃ সেলিম সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, রাস্তা নির্মানের সংবাদ জেনে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছি। কোন ধরনের স্থাপনা নির্মান যাতে না হয় সে বিষয়েও পদক্ষেপ নিচ্ছি। আর সংশ্লিষ্টদের নামে ডিসিআর আছে কিনা তা জানা নেই তার।

এ বিষয়ে কলাপাড়া ভূমিসের সার্ভেয়ার মোঃ আনাসার জানান, প্রায় সাত-আট শত লোকের নামে ডিসিআর আছে। কাজেই তার পক্ষে এ মুহুর্তে বলা সম্ভব নয়।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমান সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বিষয়টি জানলাম। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।