নরসিংদী জেলা পরিষদ উপনির্বাচনে মনোয়নপত্র জমা দিতে বাধা ও ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ!

মো. হৃদয় খান, স্টাফ রিপোর্টার: নরসিংদী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচনে মনোয়ন পত্র জমা দিতে বাধা ও ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুবায়ের আহমেদ জুয়েল ও রায়পুরা শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মাহবুব আলম শাহীন। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক) ও পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় মনোয়ন পত্র জমা দেন মাহবুব আলম শাহীন।17021860

আওয়ামীলীগের দলীয় মনোয়ন পাওয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মতিন ভুইয়া ও নরসিংদী পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল এর সমর্থকরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছন ওই দুই প্রার্থী। তবে এই বিষয়ে এখনো কোন ধরনের লিখিত অভিযোগ করেননি তারা। শেষ মূহুর্তে মাহবুব আলম শাহীন মনোয়ন জমা দিতে না পারলে আব্দুল মতিন ভুইয়া বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার সম্ভাবনা ছিল। জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আসাদুজ্জামানের মৃতুত্যে এই পদে ১৭ মার্চ উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আজ সোমবার মনোয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। শেষ দিনে এসে দুই পার্থী মনোয়ন জমা দিতে বাধা ও ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুবায়ের আহমেদ জুয়েল জানান, আমার সর্মথকরা জেলা আইনজীবি সমিতিতে মনোয়ন ফরম পূরন করছিল। এ সময় কয়েকজন লোক এসে গাল-মন্দ করে জোড়পূর্বক মনোয়ন পত্র ছিনিয়ে নেয়। প্রাণভয়ে কেউ বাধা দেয়ার সাহস পায়নি।

অপর প্রার্থী মাহবুব আলম শাহীন বলেন, আব্দুল মতিন ভুইয়া আমাকে ফোন করে মনোয়ন জমা না দেয়ার জন্য হুমকী দিয়েছেন। নরসিংদীর পৌর মেয়র কামরুলও আমাকে মনোয়ন জমা না দেয়ার জন্য বলেছেন। তাদের ভাড়া করা লোকজন আমাকে মনোয়ন জমা দিতে বাধা দিয়েছে। এ বিষয়ে আমি নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার কে অবহিত করি। পরে তাদের সহযোগীতায় মনোয়ন জমা দেই।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, মনোয়ন পত্র জমা দিতে বাধা দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক) ও পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় মনোয়ন পত্র জমা নেয়া হয়েছে।