গাবতলী রণক্ষেত্র, অ্যাম্বুলেন্সও ভাঙচুর করলেন পরিবহন শ্রমিকরা

সময়ের কণ্ঠস্বর- রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ পরিবহন শ্রমিকরা। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনে পৌঁছালে পরিবহন শ্রমিকরা এটি ভাঙচুর করে।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে পরিবহন শ্রমিকেরা রাস্তার পাশে থাকা অস্থায়ী দোকানগুলো মাঝখানে এনে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। ফলে গাবতলী নিয়ে কোন যানবাহনই রাজধানীর বাইরে যেতে পারছে না। সেখানে যাত্রীবাহী বাস তো দূরের কথা রিকশা কিংবা মোটরসাইকেলও যেতে পারছে না। অ্যাম্বুলেন্স যেতে দিলেও কয়েক দফায় তাতে তল্লাশি চালাচ্ছে শ্রমিকরা।

Ambulance20170301111018এদিকে বুধবার সকাল থেকেই গাবতলী ও আশেপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব ও পুলিশ। তবে শ্রমিকের তুলনায় গাবতলী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা খুবই কম। টেকনিকাল মোড় থেকে একটু সামনে মীরপুর শাহী মসজিদ ও মাদ্রাসার সামনে অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব-৪ এর জনা ২৫ সদস্য। আমিনবাজার ব্রিজের গোড়ায় পুলিশের একটি দল। তারাও সংখ্যায় ২৫ জনের বেশি হবে না।

পুলিশ ও র‌্যাবের মাঝখানে শত শত শ্রমিক অবস্থান নিয়েছে। যারা কিছু সময় পরপর পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট ছুড়ছে। তাদের প্রতিহত করতে র‌্যাব বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল ছুড়েছে। রাস্তার ওপর শ্রমিকদের অবস্থানের কারণে পুলিশের কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। মাঝে মধ্যে পুলিশের রায়ট কার টহল দিচ্ছে। ওই সয়ম শ্রমিকরা রাস্তা ছেড়ে আশেপাশে লুকিয়ে পড়ছে। আবার এসে রাস্তায় অবস্থান নিচ্ছে। এমনকি তারা রায়ট কার লক্ষ্য করে ইট ছুড়ছে।

দারুস সালাম জোনের পুলিশের সহকারী কমিশনার, সৈয়দ মামুন মোস্তাফা বলেন, শ্রমিকদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে গেলে তারা পুলিশের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। ফলে পুলিশ বাধ্য হয়ে পাল্টা গুলি ও টিয়ারশেল ছোঁড়ে। এতে দুই-একজন শ্রমিক আহত হয়ে থাকতে পারে তবে আমি নিশ্চিত নই।