নবীগঞ্জে ইয়াবা ব্যবসায়ী, ওয়ারেন্টভূক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ৩ আসামী গ্রেফতার

6


মতিউর রহমান মুন্না, নবীগঞ্জ থেকেঃ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ৫০ পিস যৌন উত্তেজক ইয়াবা ট্যবলেটসহ এক মাদক ব্যাবসায়ী ও বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত এবং ওয়ারেন্টভুক ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।

গত বুধবার গভীর রাতে থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম আতাউর রহমানের নির্দেশে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতারকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী হলো- নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের কান্দিগাও গ্রামের আমজাদ উল্লার ছেলে রিপন আহমেদ। মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত আসামী হলো উপজেলার ভাটি শেরপুর এলাকার মৃত রাজু হোসের ছেলে আজমান হোসেন। আরেকজন হলো- মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী উপজেলার শৈলা রামপুরের জামাল মিয়ার ছেলে শফিকুনুর ওরপে শফিকুল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী রিপন আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে মাদকের রমরমা ব্যবসা করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ওসি এস.এম আতাউর রহমানের নির্দেশে থানার এস.আই সুজিত চক্রবর্ত্তী ও গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জের কান্দিগাও এলাকায় অবস্থিত গালিব নূর পেট্রোল পাম্পের নিকট থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে ইয়াবা ব্যবসায়ী রিপনকে আটক করা হয়।

তার বিরুদ্ধে থানায় পুলিশ বাদি হয়ে সংশ্লিষ্ট মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই রাতেই থানার এস.আই সুজিত চক্রবর্ত্তীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ভাটি শেরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে (জিআর ৭৫/১০) মামলা নং ১৭ (৩) ১০ এর মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আজমান হোসেন এবং আরেকটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী শৈলা রামপুর এলাকার শফিকুনুর ওরপে শফিকুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হবিগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চত করে থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম আতাউর রহমান বলেন, মাদক এবং ওয়ারেন্টসহ বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামীর বিরুদ্ধে আমার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোন ছাড় দেওয়া হবে না। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।