অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ডেমোক্র্যাটরা

news_picture_43805_jeff-sessions-2


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

রুশ সম্পৃক্ততার অভিযোগে নতুন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্সের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ডেমোক্র্যাটরা।

মাইনরিটি লিডার চাক শুমারের অভিযোগ, মার্কিন সিনেটে মিথ্যাচারের দায়ে কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত ট্রাম্প প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্তার। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেফ সেশন্স।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ইস্যুতে চাপের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণাকালে গেলবছর রুশ রাষ্ট্রদূত সের্গে কিসলিয়াকের সাথে বৈঠক করেন এটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্স। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের আগে সিনেটের শুনানীতে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

মার্কিন পত্রিকা ওয়াশিংটন পোষ্ট জানিয়েছে, রুশ সম্পৃক্ততা নিয়ে সিনেটে মিথ্যাচার করেছেন জেফ সেশন্স। এ খবর প্রকাশের পরই তোলপাড় চলছে যুক্তরাষ্ট্রে। জেফ সেশন্সের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতারা।

এটর্নি জেনারেল সিনেটের শুনানীতে রুশ রাষ্ট্রদূতের সাথে তার বৈঠক নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। এতে করেই বোঝা যায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ নিয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। মার্কিন বিচার বিভাগের উচিত তার মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করা। জেনারেল সেশন্সকে পদত্যাগ করতে হবে। একইসাথে বিজ্ঞ বিচারকের মাধ্যমে এই এ ঘটনার তদন্তের দাবি জানাই। অবশ্য বিরোধীদের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন এটর্নি জেনারেল।

জেফ সেশন্স দাবি করেছেন, রাজনৈতিক প্রচারণাকালে কোন রুশ নাগরিকের সাথে আমি সাক্ষাৎ করিনি। আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বিশ্বাসযোগ্য নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জেফ সেশন্সের রুশ সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে চাপের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন।

জানুয়ারীতে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরোধীতায় বরখাস্ত হন ভারপ্রাপ্ত এটর্নি জেনারেল শেলী ইয়েটস। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারী দায়িত্ব নেন জেফ সেশন্স। অবশ্য গেল মাসে রুশ সম্পৃক্ততার অভিযোগের মুখে সরে দাড়ান ট্রাম্পের নিরাপত্তা উপদেষ্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিন।