স্বাস্থ্যের জন্য ফলের জুসের উপকারিতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্বাস্থ্যের জন্য ফলের জুস খুব উপকারী। অনেকেই সকালের নাস্তায় ফলের জুস পান করে থাকেন। বাইরের প্যাকেটজাত ফলের জুসের পরিবর্তে ঘরে তৈরি করা ফলের জুস বেশি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। তবে ভাল ফল পেতে এতে চিনি মেশানো থেকে বিরত থাকুন।

ros

জেনে নিন কিছু ফলের জুস সম্পর্কে যা প্রতিদিন পান করা উচিত

◘ গাজর, আদা এবং আপেল

অনেকে শুধু গাজর অথবা আপেলের রস পান করে থাকেন। এর পরিবর্তে গাজর, আদা এবং আপেল একসাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি সপ্তাহে একবার পান করুন।

◘ গাজর, পালং শাক এবং আপেল

দুটি গাজর, দুই কাপ পালং শাক, একটি আপেল, একটি শসা এবং এক ইঞ্চি আদা কুচি দিয়ে ফলের রস তৈরি করে নিন। গাজর ভিটামিন এ, সি, ডি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। এছাড়া এতে রয়েছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা হ্রাস করে।

◘ করলা, কলা এবং দুধ

করলা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু এর তেতো স্বাদের জন্য অনেকেই করলা খেতে পারেন না। তারা করলা, কলা এবং দুধ এক সাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস করে নিতে পারেন। এতে করলার তেতো ভাব অনেকটা কেটে যাবে। এটি অতিরিক্ত গরম কাটাতে সাহায্য করবে।

◘ জাম্বুরার রস

অর্ধেকটা জাম্বুরার রস, আধা কাপ ব্লুবেরিস এবং আধা কাপ ঠান্ডা গ্রিন টি একসাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস তৈরি করে নিন। এটি কাজে শক্তি প্রদান করে।

◘ আনারস, আপেল এবং তরমুজ

তরমুজ, আনারস এবং আপেল একসাথে ব্লেন্ডারে রস তৈরি করে নিন। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে সাহায্য করে।

◘ শসা এবং আপেল

একটি বা দুটি শসা এবং একটি ছোট আকৃতির আপেল এক সাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। শসাতে ৯০% পানি থাকে। এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীর হাইড্রেইড এবং ঠান্ডা করে। এছাড়া শসাতে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং স্যালিকা আছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।