নীলফামারীকে মাদকমুক্ত করতে রাজনৈতিক-সামাজিক প্রতিরোধ অপরিহার্য: পুলিশ সুপার

মোঃ মহিবুল্লাহ্ আকাশ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট- ‘সাধারণ মানুষ তখনই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সফল হয় যখন তারা প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা পায়। আর নীলফামারী জেলাকে মাদক মুক্ত করতে রাজনৈতিক-সামাজিক প্রতিরোধ অপরিহার্য।’ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে মাদক মুক্ত করতে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে রোববার (৫ মার্চ) দুপুরে এক মাদক ও জঙ্গীবাদ বিরোধী আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান।

পুলিশ সবসময় অপরাধমূলক কর্মকান্ড ও অপরাধী দমনে তৎপর থাকে। বর্তমানে নীলফামারীর ৬ উপজেলার আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের কর্মকর্তারা যে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তা প্রশংসার দাবীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষরা পুলিশকে অপরাধের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অপরাধের হার অনেক কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতাও চান তিনি।

Exif_JPEG_420
Exif_JPEG_420

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার মোঃ আতিকুর রহমান, কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মেহেদী হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) জিয়াউর রহমান, কিশোরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এছরারুল হক, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল প্রমুখ। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম, শিশু নিকেতন স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক বুলবুল, বাহাগিলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ দুলু, সদর চেয়ারম্যান আনিছুল ইসলাম আনিছ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হাবিবুর রহমান হাবুল ও অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কনষ্টেবল মমতাজ উদ্দিন।

এর আগে কিশোরগঞ্জকে মাদকমুক্ত উপজেলা গড়তে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুপুর ২টা থেকে র‌্যালী নিয়ে থানা চত্বরকে কানায় কানায় পূর্ণ করে তোলে। উপজেলার প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে থেকে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শ্রম কল্যান পাবলিক পাঠাগারের সদস্যরা তাদের কার্যালয় থেকে র‌্যালী বের করে কিশোরগঞ্জ থানা চত্বর পর্যন্ত পায়ে হেটে আসে। এছাড়াও একই র‌্যালিতে “মাদককে না বলি ও মাদকমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ি” এ শ্লোগান রেখে কিশোরগঞ্জ বস্ত্রকল্যাণ সমিতি ও কিশোরগঞ্জ শিশু নিকেতন স্কুল অংশগ্রহণ করে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় কিশোরগঞ্জ থানা চত্বরে এসে শেষ হয়।