৭ বিভাগের ১৪ উপজেলা ও ৪ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ চলছে, নতুন ইসির প্রথম পরীক্ষা

সময়ের কণ্ঠস্বর – দেশের সাত বিভাগের ১৪টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভায় বিভিন্ন পদে সোমবার ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার খবর পাওয়া যায়নি।

উপজেলা ও পৌরসভার এই নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বড় দলগুলোর অংশগ্রহণে নির্বাচনের গুরুত্ব বেড়েছে।

বিএনপির নানা প্রশ্নের মধ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে নতুন ইসি যাত্রা শুরুর পর একসঙ্গে একাধিক স্থানে নির্বাচন এটাই প্রথম।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়।

এই নির্বাচন সম্পর্কে রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, নবগঠিত ইসির জন্য এটাই প্রথম কিছুটা বড় মাপের নির্বাচন। এ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করছি।

vot

যে সব উপজেলায় ভোট: ১৪টি উপজেলার মধ্যে সিলেটের ওসমানীনগর, খাগড়াছড়ির গুঁইমারা ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সব পদেই ভোট হবে। এ ছাড়া শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদে বরিশালের বানারীপাড়া, গৌরনদী, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, কুমিল্লার আদর্শ সদর,পাবনার সুজানগর এবং কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে উপ-নির্বাচন হবে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাটোরের বড়াইগ্রাম, নীলফামারীর জলঢাকা, সাতক্ষীরার কলারোয়া ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাবনার ঈশ্বরদীতে ভোট গ্রহণ হবে।

এছাড়া আজ পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভায় চেয়ারম্যান পদে, রাশাহীর বাঘায় আড়ানী পৌরসভায় সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে, টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভায় ২ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে এবং বগুড়ার শেরপুর পৌরসভায় ৭ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।

এদিকে এসব উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী এড়াতে পারেনি। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ও সিলেটের ওসমানীনগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভায় রয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। জগন্নাথপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে সহিংসতায় দুই জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। আরো কয়েকটি উপজেলায় সহিংসতা, প্রশাসনের নিষ্কৃিয়তা এবং বিএনপি প্রার্থীদের প্রচার না চালাতে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।