বাকৃবিতে প্রতিদিনের শত্রু মশা, ভয়াবহ রোগের সম্ভাবনা

নাজিব মুবিন, বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আবসিক হল গুলোতে সম্প্রতি প্রতিদিনের শক্র হয়ে উঠেছে মশা। শীতের আভাস কাটতে না কাটতেই মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা।

bkibi

মশার কামড়ে হতে পারে শিক্ষার্থীদের নানা ভয়াবহ রোগ। অতিরিক্ত আগাছা, ঝোপঝাড়, ড্রেনের ময়লা আবর্জনা এবং নিয়মিত মশানাশক স্প্রে না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সন্ধ্যা নামতেই ক্যাম্পাসে মশার অত্যাচার বাড়তে থাকে। মশার অত্যাচারে পড়ালেখাসহ আড্ডার স্থান টিএসসি, কে আর মার্কেট, জব্বারের মোড়ে একত্রে বসা কিংবা আড্ডা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি দিনের বেলায়ও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। রাতে মশারি টাঙানো ছাড়া ঘুমানো অসম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল গুলোর চারপাশ অপরিচ্ছন্ন, ড্রেনে পানি জমে থাকা, হল সংলগ্ন জলাশয়ে ময়লা পানি জমে থাকায় মশার প্রকোপ বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী মুসফিকুর রহমান বলেন, মশার প্রকটতা এত বেশি যে কয়েল জ্বালিয়ে রাখলেও অনেক সময় কাজ হয় না। এছাড়া কয়েল স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।

অন্যদিকে মশা দমনে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের নানা ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় হেলথ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়েজ আহমেদ বলেন, মশা দমনে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া, এলার্জিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ সাদিকুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, মশা দমনের দ্বায়িত্ব স্বাস্থ্য প্রতিষেধক শাখার। আমি দ্রুত এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি। স্বাস্থ্য প্রতিষেধক শাখার প্রধান ডা. মোঃ শাহাদৎ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।