বালু বহনকারী ট্রাকের অনিয়মের কারনে জনজীবন অতিষ্ট

ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী চারঘাট উপজেলায় বালু ব্যবসা কেন্দ্রিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসনের কোঠর নজরদারী দাবি করেছেন নদী উপকলিয় স্থানীয় বাসিন্দা।

trak

বিগত অনেক বছর যাবত পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ব্যবসা চলমান রয়েছে। বৈধ বা অবৈধ নিয়মনীতি অমান্য করে অর্থ প্রিপাসু ব্যাক্তিদের নৈরাজ্য বন্ধ করা দূরহ্য। এই উপজেলার তীর বর্তি পদ্মা নদী থেকে টাঙ্গইন, ইউসপুর, মোক্তারপুর, গোপালপুর ঘাট থেকে বালু উত্তোলন করা হয়। এবং রাজশাহীসহ পাশবর্তী বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করেন বালু ব্যবসায়ীরা।

ওই বালু বহন করার জন্য বড় ধরনের ভারতের তৈারী লড়ি ট্রাকের ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ২শত ট্রাক বালু বাজারজাত  করার লক্ষে বালু ট্রাক চালনায় ট্রাফিক আইন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর আইন অমান্য করছে। যার কারনে স্থানীয় প্রাথমিক স্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল, ক্যাডেট কলেজ ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থনীয় বাসিন্দারা নানা ধরনের সমস্যায় আছে বলে জানান গ্রাম বাসী ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

এ বিষয়ে মোক্তারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফ এবং ওই স্কুলের শিক্ষক ও উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, বালু বহনকারী সিংহ ভাগ ট্রাক চালক অশিক্ষিত, প্রাতিষ্ঠানিক গাড়ি চালনার অভিজ্ঞতা এবং গাড়ি চালনার লাইসেন্স নেই। পরিত্যক্ত বালুর কারনে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটছে। তদুপরি অদক্ষ্য গাড়ি চালনার কারনে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন স্কুল ছাত্র-ছাত্রী এবং পিতা-মাতাদের মৃত্যু হয়েছে। এবং তাদের মধ্যে অনেকে বিকালঙ্গ হয়ে অভাব অনটনে দিন পাতিত করছেন।

এ বিষয়ে ইউএনও আশরাফুল ইসলাম কোঠর পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান। বালু মহলের কারনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনজীবন এবং পরিবেশ দূষন হচ্ছে।

এছাড়া রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ অধ্যক্ষ কর্নেল হাবিবুল্লাহ ও স্থানীয় সচেতন ব্যাক্তিবর্গ বালু উত্তোলন এবং বহনকারী ট্রাকের বিরুদ্ধে নানা রকম অভিযোগ সুত্রে অভিযুক্ত সশ্লিষ্টদের নিকট নোটিশ দেয়া হয়েছে। তথা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কে ওই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলা হয়েছে।