এ মাসেই ফেসবুকের সাথে বৈঠকে বসছে সরকার

সময়ের কণ্ঠস্বর – ‘আক্রমণাত্মক ও আপত্তিকর কনটেন্ট’ ছড়ানো বন্ধ করতে এ মাসেই ফেসবুকের সাথে বৈঠক করবে সরকার। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর যেমন নিজস্ব নীতিমালা আছে তেমনি প্রত্যেক দেশেরও নিজস্ব নীতিমালা আছে। আর এ কারণেই এটা নিশ্চিত করা জরুরি যে, এসব সোস্যাল মিডিয়ার নীতিমালা আমাদের সামাজিক আদর্শ, আইন এবং মূল্যবোধের বিরোধী নয়।

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: সাইবার ক্রাইম, সেইফ ইন্টারনেট অ্যান্ড ব্রডব্যান্ড’ শীর্ষক দুই দিনের এক কর্মশালায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তারানা হালিম। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ফেসবুকের একটি অফিস খোলা দরকার যেখানে সরকারের অভিযোগগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দিলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাড়া পেতে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে।

tarana-facebook

তিনি আরো বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফেসবুকে বেশি বেশি ‘লাইক’ পাওয়ার একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ফলে তারা ভেবে চিন্তে কনটেন্ট দেয় না, এতে সেসব কনটেন্ট কখনো কখনো আপত্তিকর হয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোরও দরকার আছে বলে যোগ করেন তিনি।

২০১৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সরকার প্রথম ফেসবুক নির্বাহীদের সাথে বৈঠক করে। এসময় এই জনপ্রিয় সোস্যাল সাইটটির নেতিবাচক প্রভাবের কথা তাদের জানানো হয় এবং দাবি করা হয়, এসব জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‍হুমকি।

আপত্তিকর ও উসকানিমূলক কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে এমন অভিযোগে সরকার বেশ কয়েকটি আইডি এবং ফেসবুক পেজ বন্ধ করে দিয়েছে।