‘বৈশ্বিক কর্মযজ্ঞে নারীর সমতায়ন এখন সর্বপ্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিৎ’

সময়ের কণ্ঠস্বর – বৈশ্বিক কর্মযজ্ঞে নারীর সমতায়ন এখন সর্বপ্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নারীসমাজ যাতে অবহেলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার না হয় এবং ন্যায্য অধিকার থেকে তারা যাতে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সবার সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৈশ্বিক কর্মযজ্ঞে নারীর সমতায়ন এখন সর্বপ্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিৎ।’

বেগম জিয়অ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নারীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।’’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি অত্যন্ত তাৎপর্যময় দিন। বিশ্বব্যাপী নারী জাগরণ সৃষ্টি এবং নারী সমাজের কল্যাণে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে এ দিবসটি পালিত হয়। বাংলাদেশে এ দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম।’

khaleda

তিনি বলেন, ‘আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই নারী সমাজের অগ্রগতি সাধিত হলে মানবজাতির সামগ্রিক বিকাশ সম্ভব হবে। এ সত্যটি উপলব্ধি করেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে নারীর অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা সরকারে থাকতে এ দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। নারী সমাজের অশিক্ষার অন্ধকার ঘুচিয়ে শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের জন্য অনেক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় তাদেরকে সম্পৃক্ত করার কারণে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জেগে উঠে। একই সঙ্গে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুঁজে পেয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। বদলে যাওয়া বিশ্বের কর্মপরিবেশে নারীর সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বাণীতে আরও বলেন, ‘আজকের এই শুভ দিনে আমি নারী সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাই। এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘উইমেন ইন দ্য চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক প্লানেট ৫০ : ৫০ বাই ২০৩০’ এর সফলতা কামনা করছি।