মসজিদের প্রবেশদ্বারে থাকা ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত নিজামীর নামফলক গুড়িয়ে দিলো মুক্তিযোদ্ধারা

কানাইঘাট, সিলেট প্রতিনিধি, সময়ের কণ্ঠস্বর-

কানাইঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মূল প্রবেশদ্বারে থাকা যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত  জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর নাম ফলক ভেঙ্গে অপসারণ করেছে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের এক প্রস্তুতি মূলক সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজমুল হক কানাইঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে লাগানো যুদ্ধাপরাধী নিজামীর নাম ফলক মঙ্গলবারের মধ্যেই অপসারণের দাবী উত্থাপন করেন।

এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের নাম রয়েছে তা অপসারণে সরকারি পরিপত্র রয়েছে। একপর্যায়ে প্রস্তুতি মূলক সভা থেকে বেরিয়ে বিকেল ২টায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মূল প্রবেশ দ্বারে লাগানো নিজামীর নাম ফলক উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক লুৎফুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজমুল হকের নেতৃত্বে হাতুরে পেটা করে ভাংচুর করে অপসারণ করা হয়।

প্রসজ্ঞত, বিগত ৪ দলীয় জোট সরকারের সময়ে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মাওঃ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী এ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি সম্প্রসারণ করে এর ভিত্তি প্রস্তর করেন। পরে তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকারের শিল্পমন্ত্রী জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির মতিউর রহমান নিজামী কানাইঘাটের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করে মসজিদটি উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের নাম ফলকটি মসজিদের মূল প্রবেশ দ্বারে খোদাই করে লাগানো হয়। অন্যপাশে তৎকালীন সংসদ সদস্য ফরিদ উদ্দিন
চৌধুরীর নাম ফলক ছিল। দু’টি নাম ফলক মঙ্গলবার  ৭ই মার্চের দিনে অপসারণ করা হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজমুল হক জানান, মহান স্বাধীনতার এ মাসে যুদ্ধাপরাধী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত নিজামীর নামফলক মসজিদ থেকে অপসারণের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হয়েছে।

যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামির আমির মতিউর রহমান নিজামী ও জামায়াতের সাবেক এমপি ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর নামফলক ভেঙে দিয়েছেন সিলেটের কানাইঘাটের মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতারা। কানাইঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মূল প্রবেশদ্বারে লাগানো ছিল শীর্ষ এ যুদ্ধাপরাধীর নামখচিত ফলকটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের এক প্রস্তুতি সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজমুল হক কানাইঘাট উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে লাগানো যুদ্ধাপরাধী নিজামীর নামফলক অপসারণের দাবি উত্থাপন করেন।

এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানে যুদ্ধাপরাধীদের নাম রয়েছে তা অপসারণে সরকারি পরিপত্র রয়েছে। একপর্যায়ে প্রস্তুতি মূলক সভা থেকে বেরিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মূল প্রবেশদ্বারে লাগানো নিজামীর নামফলক উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক লুৎফুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজমুল হকের নেতৃত্বে হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।

বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী এ জামে মসজিদটি সম্প্রসারণের সময় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের শিল্পমন্ত্রী জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির মতিউর রহমান নিজামী কানাইঘাটের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করে মসজিদটির সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করেন।

Nizami-Mosqe-nameplate

উদ্বোধনের নামফলকটি মসজিদের মূল প্রবেশদ্বারে খোদাই করে লাগানো হয়। অন্যপাশে তৎকালীন সংসদ সদস্য ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর নাম ফলক ছিল। দু’টি নাম ফলকই মঙ্গলবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চে অপসারণ করা হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজমুল হক জানান, মহান স্বাধীনতার এ মাসে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া নিজামীর নামফলক মসজিদ থেকে অপসারণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হয়েছে।

Save