‘পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্য নম্বর পাওয়া নিশ্চিত করতেই উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ’

সময়ের কণ্ঠস্বর – একই মানের উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরীক্ষকদের নম্বর প্রদানে ভিন্নতা প্রবণতা রোধ করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিন্ন পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্য নম্বর পাওয়া নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে সরকারদলীয় সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একই মানের উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরীক্ষক কর্তৃক রোল নম্বর প্রদানে ভিন্নতা প্রবণতা রোধ করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিন্ন পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পরীক্ষকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও পার্থক্যের কারণে কোনো পরীক্ষার্থী যাতে তার প্রাপ্য নম্বর থেকে বঞ্চিত না হয়- তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্যও জরুরি।

বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে একটি কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ)’ এর ‘বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট’ উত্তরপত্র মূল্যায়নের বিষয়ে কিছু সুপারিশ পেশ করে। এ সুপারিশগুলোর ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য উত্তরপত্র মূল্যায়নের ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

nahid-songsod

শিক্ষামন্ত্রী কার্যক্রমগুলো তুলে ধরে বলেন, এর ফলে পরীক্ষকের ভিন্নতার কারণে উত্তরপত্র মূল্যায়নে নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে যে বড় ধরনের ভিন্নতা থাকার সম্ভাবনা থাকে তা হ্রাস পায় এবং একটি অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করার ফলে মূল্যায়ন নির্ভরযোগ্য হয়।

এম আবদুল লতিফের অপর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বিগত মেয়াদে ২০০৯ হতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পভুক্ত ৭ হাজার ৬৩৮টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫ হাজার ৯৮০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণসহ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১ হাজার ৬৫৮টি প্রতিষ্ঠানে কাজ চলছে।