ঠাকুরগাঁও সরকারী হাসপাতালে বেসরকারী এ্যাম্বুলেন্সের গ্যারেজ!

কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের ভিতরে ব্যক্তিমালিকানাধীন এ্যাম্বুলেন্স গুলি নিজস্ব গ্যারেজে পরিণত করেছে বলে সরজমিনে দেখা যায়। ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে ব্যক্তিমালিকানাধীন এ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা কত তা জানা নেই কারও। আর এ্যাম্বুলেন্স গুলি তৈরী হয়েছে, লক্কর-ঝক্কর মাইক্রোবাস দিয়ে। তাই এ্যাম্বুলেন্সগুলির ভিতরে নেই অক্রিজেন, স্ট্রেচার, বেসিং, রোগী শোয়ানের ভালো বেড ও উপরের জরুরী হর্ণটাও যথাযথ নয়। শুধু মাত্র স্টিকার বা রং দিয়ে গাড়ির দুই পাশে লেখা আছে এ্যাম্বুলেন্স।

এসমস্ত দেখার কথা ট্রাফিক পুলিশ ও বিআরটি এর, কিন্তু সরকারি হাসপাতালের ভিতরে মসজিদ হওয়ায় আর হাসপাতালের একাংশের নবনির্মিত ভবনের কাজ চলায় অনেকটা জায়গার সংকোচিত হয়েছে। কিন্তু এই গাড়ি গুলো হাসপাতালের ভিতরে “মরার উপর খড়ার ঘাঁ” সৃষ্টি করেছে। তাই বাহির থেকে রোগী নিয়ে আসা জরুরী যানবাহন ঢুকতে বাধার সম্মুক্ষিন হচ্ছে বলে অভিযোগ কারেন ভুক্তভুগিরা।

ভুক্তিভুগিরা আরও জানায়, জরুরী ভাবে রোগীকে নামিয়ে গাড়িটা যে রাখবো তারও জায়গা নেই হাসপাতালের ভিতরে। আর এই নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। অন্যদিকে, কয়েক মাস আগে হাসপাতালের সামনের জায়গাটা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় পাকা পিলার ও তারকাঁটা দিয়ে ঘেড়ে নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানে হয়। এতে হাসপাতালের সামনের রাস্তার পূর্ব পাশে যে মাইক্রোস্টান্ডটি ছিলো তা সরিয়ে টিএনটি অফিসের সামনে দেওয়া হয়। কিন্তু কাজের কাজ পশ্চিম পাশে হলেও পূর্ব পাশের পিলার, তারকাঁটার বেড়া ও গাছ তুলে পুনরায় ব্যক্তিমালিকানাধীন মাইক্রোস্টান্ড গড়ে ওঠেছে। আরও গড়ে ওঠেছে হাসপাতালের সামনে ফুটপাতের দোকানগুলোও।

thakurgaon-hospital-private-ambulance

জানা মতে, প্রতি মাসে হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা মিটিং হয়, জেলা প্রশাসন কক্ষে আইন শৃঙ্খলা মিটিং হয়, দূনীতি বিষয়ক কর্মশালা হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এসমস্ত অবৈধ স্থাপনা সহ যানজট সৃষ্টিকারী দের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেন না কর্তৃপক্ষ। তাই দিন দিন হাসপাতালের সামনে ও ভিতরে যানজট লেগেই থাকছে। ভুক্তভুগিরা আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ অচিরেই এর সমাধান করবেন।