বাকৃবিতে মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা

নাজিব মুবিন, বাকৃবি প্রতিনিধি: কৃষি সংশ্লিষ্ট নানা প্রযুক্তির পেটেন্ট, ডিজাইন, ট্রেডমার্ক ও মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিক উদ্যোক্তা তৈরী করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

un

কর্মশালায় কৃষি অনুষদের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আলী আকবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জসিম উদ্দিন খান।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নেদারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব টোয়েন্টে অ্যান্ড ম্যাস্ট্রিক্ট স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারপ্রিনারশিপ ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট ভিনোদ মোরার এবং ভারতের জি.বি. প্যান্ট ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির জেনেটিক্স অ্যান্ড প্লান্ট ব্রিডিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান অধ্যাপক ড. হারবিন্দার সিং চাওলা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আলী আকবর বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ফসলের জাত, মাছের জাত ও গবাদি পশুর টিকাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে আসছেন। যা বিশ্ব দরবারে আকর্ষণীয় ও বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান। কিন্তু মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ না করায় উদ্ভাবনকারীরা সেই পণ্যের স্বত্ত্বাধিকারী দাবি করতে পারছেন না। আশা করি এ কর্মশালার মাধ্যমে সকলেই তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ করার বিষয়ে সচেতন হবেন।

ভিনোদ মোরার বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বর্তমান সময়ে আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। সরকার সরাসরি কর্মসংস্থান তৈরী করতে পারে না কিন্তু একজন উদ্যোক্তা সরাসরি কর্মসংস্থান তৈরী করতে পারেন।

অধ্যাপক ড. হারবিন্দার সিং চাওলা বলেন, উদ্যোক্তা হতে হলে একজন ভালো নেতা হতে হবে। অন্যদিকে মেধাস্বত্ত্ব হলো মনের সৃষ্ট বস্তু।