খোলা আকাশের নিচে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশনে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলার আসলামপুর ও চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

jhor

কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে থাকা চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের বহু ঘর-বাড়ি দুমরে-মুচরে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। উপজেলার দুটি ইউনিয়নের উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বয়ে গেলেও চরমাদ্রাজ ইউনিয়নে বেশি ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। স্কুল শিক্ষার্থীদের দেখা যায়, তারা তাদের বই রোদে শুকাতে দিয়েছে। আবার কেউ ঘর থেকে বিছানা বালিশ বের করে শুকাতে দিচ্ছে।

এছাড়াও চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর হোসেন, কাদির মাঝী, দুলাল মাঝী, আঃ সহিদ, মোঃ মিজান হাং, সেকান্দার হাং, আলাউদ্দিন গোলদার, মনির গোলদার, আলমগীর মাঝী, সাত্তার সিকদার, হারুন মাতাব্বর ও মাসুদ মাঝীর ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়নি পাশের ৭নং ওয়ার্ডের চর আফজাল গ্রামটিও।

এদিকে উপজেলার পূর্বাঞ্চল সর্ববৃহত্তর চরমাদ্রাজ ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসাটি ঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকাল ৩টায় হঠাৎ ঘুর্ণিঝড় শুরু হয়। এতে মাদ্রাসার টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। প্রায় ২/৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরির্দশন করেছেন চরফ্যাশন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ মনোয়ার হোসেন। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ টাকা ও চাল বিতরণ করেছেন ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাং সেলিম উদ্দিন।

উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ করেই কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এ সময় মাঠে গরু আনতে যাবার সময় আছলামপুর ইউনিয়নে বজ্রপাতে মোঃ মোর্শেদ (২২) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয় এবং অন্তত ৫ জন আহত হয়।