এবার আরো এক ধাপ বাড়তে যাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা

সময়ের কণ্ঠস্বর – বছর না ঘুরতেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা আরেক ধাপ বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা ছিল, মূল্যস্ফীতির চাপ আমলে নিয়ে প্রতি বছর প্রয়োজনমতো বেতন বাড়ানো হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী জুনের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা কিছুটা বাড়বে। এ ক্ষেত্রে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট চলমান ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ শতাংশ করার আভাস দিয়েছে অর্থবিভাগ।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ প্রসঙ্গে বলেন, এটা গত বছরের পে-স্কেলেই ঘোষণা ছিল। সে অনুযায়ী প্রতি বছর মূল্যস্ফীতির চাপকে আমলে নিয়ে বেতন-ভাতা কিছুটা বাড়ানো হবে। যেহেতু আর কোনো নতুন কমিশন বা পে-স্কেল হবে না, তাই প্রতি বছরই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন কিছুটা বাড়বে।

অর্থবিভাগ সূত্র জানায়, আগামী রোববার এ সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক ডেকেছেন অর্থমন্ত্রী। বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা হবে। সে ক্ষেত্রে আসছে বাজেটের বরাদ্দও বাড়ানোর মতো বিষয় থাকবে। এজন্য জুনে নতুন বাজেট ঘোষণার আগেই এ ব্যাপারে কতগুলো সিদ্ধান্ত পৌঁছতে চায় সরকার।

gov

সূত্রমতে, মূল্যস্ফীতিকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতি বছর বেতন বাড়ানোর ঘোষণা থাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বেতন-ভাতার অসঙ্গতি চিহ্নিত করবে। বাজারের অতি মূল্যস্ফীতিসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। প্রতি বছরের শেষে মন্ত্রিসভায় এই প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। প্রতিবেদনের সুপারিশ মোতাবেক পরির্বতন আসবে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায়। এ বছর বেতন-ভাতা বাড়ানো সংক্রান্ত বার্ষিক সারসংক্ষেপ তৈরি করে অর্থমন্ত্রীর দফতরে পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তার আলোকেই বৈঠক ডেকেছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী এক নোটে লিখেছেন, প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বেতন-ভাতার কোনো পরিবর্তন করতে হলে তা যথাসময়ে করা যেতে পারে। বিষয়টি হবে একটি বড় পরিবর্তনের ব্যাপার। তাই এ বিষয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে একটি বিস্তৃত আলোচনার প্রয়োজন। আমরা এই আলোচনা এ বছরই করে জুনের মধ্যে ভবিষ্যতের বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারি।