টাঙ্গাইলে ১৫ ঘন্টা পার হলেও এখনও চালু হয়নি গ্যাস সরবরাহ

অন্তু দাস হৃদয়, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলে ১৫ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও স্বাভাবিক হয়নি গ্যাস সরবরাহ। এতে চরম ভোগান্তির মুখে পরেছে আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্যাসের গ্রাহকরা।

স্থানীদের অভিযোগ, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার এলেঙ্গা এলাকার পৌলী নদীতে ২০ ইঞ্চি ব্যাসের গ্যাস পাইপ লাইন ক্রসিং এর টাই ইন কাজের জন্য এলেঙ্গা মিটারিং এন্ড রেগুলেটিং স্টেশন হতে টাঙ্গাইল পৌর শহর হয়ে কুমুদিনী ডিআরএস পর্যন্ত এলাকার সকল শ্রেণীর গ্রাহকের ও ডরিন পাওয়ার প্লান্টে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে একটি জরুরি গ্যাস শাট ডাউন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পেট্রোবাংলার কোম্পানী তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন লিমিটেড।

তবে এ সময় সীমা শেষে হওয়া স্বত্তেও এখনও গ্যাস সরবরাহ চালু হয়নি।

এ কারণে জেলার আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্যাসের গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়ার গৃহিনী ফাতেমা বেগম সময়ের কন্ঠস্বর ‘কে জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকাতেই তাদের রান্নায় চরম সমস্যা পোহাতে হয়েছে।

ges

গ্যাস কোম্পানীর বন্ধ রাখার সে সময় সীমা শেষ হওয়া স্বত্তেও গ্যাস চালু না হওয়ায় রাতেও তাদের রান্নার কাজে চরম সমস্যা হচ্ছে।

কখন গ্যাস চালু হবে এ নিয়েও বিভ্রান্তি আছেন বলেও জানান তিনি।

গ্যাসের বাণিজ্যিক গ্রাহক নিরালা হোটেলের মালিক ও জেলা হোটেল মালিক সিমিতির সাধারণ সম্পাদক মির্জা মাসুদ রুবল সময়ের কন্ঠস্বর’কে জানান, সারাদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যবসায় চরম ক্ষতি হয়েছে তাদের।

প্রতিটি হোটেল ব্যবসায়ীকে রান্না নিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। শহরাঞ্চলের হোটেল গুলোতে গ্যাসের চুলা ব্যতিত অন্য কোন চুলার ব্যবহার না থাকায় এ সমস্যা আরো তীব্র হয়ে উঠেছে।

এতে যেমন গ্রাহকের সমস্যা হয়েছে, তেমনি চুলার অভাবে অনেক হোটেলই রাখতে হয়েছে বন্ধ। এতে হোটেল ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পেট্রোবাংলার কোম্পানী তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন লিমিটেড গাজীপুর কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক ও গ্যাস সরবরাহ কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা স্বত্তেও তিনি রিসিভ না করায় বন্ধ গ্যাস সরবরাহ চালু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি।