বাঁশের সাঁকোই ১৫ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: প্রায় একযুগ ধরে বাঁশের সাঁকোই পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের ১৫ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা। অনেক আবেদন-নিবেদনের পরও খাপড়াভাঙ্গা নদীর উপড় সেতু নির্মান না করায়, বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রায় চল্লিশ হাজার মানুষ।

sako-sako

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ধুলাসার ও ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের মাঝখানে প্রবাহিত খাপড়াভাঙ্গা নদীতে রয়েছে একটি বাঁশের সাঁকো। এ নদীর উওর পারে নয়াকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তারিকাটা দাখিল মাদ্রাসা এবং দক্ষিন পারে মিশ্রিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সেতু না থাকায় শিক্ষার্থীসহ অসুস্থ্য ও গর্ভবর্তী মায়েরা এ সেতু পারাপারে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। আর চরম ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পাড় হতে গিয়ে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। এলাকার উৎপাদিত কৃষি পন্যের বাজারজাত সমস্যাসহ নায্য মূল্য পাচ্ছেনা কৃষক।

এলাকাবাসী জানায়, খাপড়াভাঙ্গা নদীর তারিকাটা পয়েন্টে সেতু নির্মানের জন্য বিভিন্ন মহলে দীর্ঘ দিন ধরে আবেদন করেও কোনো ব্যবস্থা হয়নি। ফলে ২০০৫ইং সালে এলাকাবাসী নিজ উদ্যেগে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মান করে। অর্থ সংকটে মেরামতের অভাবে সাকোঁটি নষ্ট হয়ে যায়। ফলে খেয়া নৌকা দিয়ে পারাপার হত এলকাবাসী। এলকাবাসীর দুর্ভোগ লাগলে ২০১৪ইং সালে স্থানীয় সাংসদ মাহবুর রহমান তালুকদার পুনরায় বাঁশের সাঁকোটি নির্মানের জন্য তিন টন চাল বরাদ্ধ দেন। এরপর থেকে এলাকাবাসী চাঁদা তুলে সাঁকোটি মেরামত করে আসছেন।

নয়াকাটা এলাকার বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য নোয়াব আলী হাওলাদার জানান, রাস্তঘাট পাকা না হওয়ায় এবং খাপড়াভাঙ্গানদীতে ব্রিজ নির্মান না হওয়ায় আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি সংশ্লিষ্ট এলাকা গুলোতে।

ডাবলুগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম শিকদার জানান, জনস্বার্থে খাপড়াভাংগা নদীতে সেতু নির্মান খুবই গুরুত্বপূর্ন। ইউনিয়ন পরিষদের স্বল্প বরাদ্ধে সেতু নির্মান কখনই সম্ভব নয়।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব তালুকদার সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, খালটি অনেক বড় হওয়ায় এ মুহুর্তে কিছুই করা যাচ্ছেনা।