‘দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে’ মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

জিএস‌কে শান্ত, স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট:

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। সরকারের সঠিক নীতিমালার ফলে দুধ, ডিম ও মাংসের উৎপাদন বিগত সময়ের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

শ‌নিবার (১০ মার্চ) দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (অাইএলএস‌টি)’ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তি‌নি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামীলীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ খাতে গবেষণার জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ খাতের ভূমিকা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাত থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানির লক্ষ্যে এ সেক্টরকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। বর্তমানে দেশীয় উৎস থেকেই তরল দুধ, মাংস ও ডিমের বাজার চাহিদা পূরণ সম্ভব হ‌চেছ। তিনি বলেন, এ ইনস্টিটিউটটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এখানে প্রাণিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার সুযোগ হবে ফলে এ খাতের উন্নয়ন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থা‌নের সৃষ্টি হবে।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ নিজাম উদ্দিননের সভাপতিত্বে অনু‌ষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠা‌নে উপ‌স্থিত ছি‌লেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ আইনুল হক, ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির প্রকল্প পরিচালক ডাঃ মুহাম্মদ হায়দার আলী, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সৈয়দ আনোয়ারুল ইসলাম, খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য সরদার আবু সালেহ, খুলনা পোল্ট্রি ও ফিশ ফিড মালিক সমিতির সভাপতি এস এম সোহরাব হোসেনসহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, প্রাণীসম্পদ অ‌ধিদপ্ত‌রের কর্মকর্তাগণ ও সাংবা‌দিকবৃন্দ।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (অাইএলএস‌টি) এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ক‌রেন।

panisompod-montri-khulna

উলেখ্য, তিন একর জমির উপর এ ইনস্টিটিউট নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৩১ কোটি ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার টাকা এবং নির্মাণ কাজ শেষ হবে আগামী জুন ২০১৯ সালে। সারা দেশে পাঁচটি আই এল এস টি হলো: নেত্রকোনা সদর, গোপালগঞ্জ সদর, খুলনা ডুমুরিয়া শাহপুর, নাসিরনগর, ব্রাক্ষণবাড়িয়া এবং গাইবান্ধা সদরে অবস্থিত এল টি আইকে উন্নীত করে আই এল এস টি স্থাপন করা হবে।

এতে ছয় তলা ফাউন্ডেশনসহ চার তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, পাঁচ তলা ছাত্র হোস্টেল ভবন, পাঁচ তলা ছাত্রী হোস্টেল ভবন নির্মাণ, চার তলা ফাউন্ডেশনসহ দুই তলা ভেটেরিনারী হসপিটাল নির্মাণ, দুই তলা ফাউন্ডেশনসহ দুই তলা প্রিন্সিপাল কোয়াটার নির্মাণ, ছয় তলা ফাউন্ডেশনসহ চার তলা অডিটোরিয়াম, ক্যাফেটারিয়াসহ শিক্ষক ডরমেটরি নির্মাণ, ছয় তলা ফাউন্ডেশনসহ চার তলা ৪র্থ শ্রেণির ডরমেটরি এবং ফার্ম বিল্ডিয়ের সুবিধা থাকবে।