২৫শে মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসাবে পালনের প্রস্তাব গৃহীত

সময়ের কণ্ঠস্বর – ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।

শনিবার বিকেল ৩টা ১৫মিনিটে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার। মাগরিবের বিরতির পর রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে এই আলোচনার সমাপ্তি ঘটে। কিছু সংশোধনীসহ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ অনুরূপ আরেকটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। কিন্তু প্রস্তাবটি যথা সময়ে উত্থাপন না হওয়া তা গ্রহণ করা গেলো না বলে জানান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জন সংসদ সদস্যের ৬ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের আলোচনা পর রাতে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ যে গণহত্যা হয়, তা থেমে থাকেনি, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় পর্যন্ত চলেছে। ২৫ মার্চ যে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা চালিয়েছে তার কোনো প্রমাণ লাগে না।”

gonohotta

তিনি বলেন, “ সারাবিশ্বের পত্র-পত্রিকায় এই গণহত্যার কথা বলা হয়েছে। আমরা নিজের চোখে এই গণহত্যার চিত্র দেখেছি। এই ধরনের গণহত্যা যাতে আর কখনও না হয় সেটা আমরা চাই। এই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা আহ্বান জানাচ্ছি।”

পরে স্পিকার প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দিলে তার গ্রহণ করা হয়।

প্রস্তাবে বলা হয়, “১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে বর্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সংঘটিত গণহত্যাকে স্মরণ করে ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হোক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেয়া হোক।‌”