ফরিদপুরে ভূয়া ঠিকানায় চাকুরি, তদন্তে সত্য ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ২০১৩ইং সালে ভূয়া ঠিকানায় চাকুরি নেন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী মিসেস বাবি দাশ গুপ্তা।

faridpur

ঐ সময়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ফরিদপুর জেলার ৩য়/৪র্থ শ্রেণির নিয়োগ কমিটির সভাপতি ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক এবং সদস্য সচিব ছিলেন উপ-পরিচালক ডাঃ মোড়ল ইয়াকুব আলী। তাকে নিয়োগপত্র প্রদান করেন পরিবার পরিকল্পনার ঢাকা বিভাগের পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন। বিভাগীয় কার্যালয়ের ১৫/১২/২০১৩ খ্রিঃ তারিখের ৮(নব-নিয়োগ)/২০১৩/৭১৬(৪০) নং স্মারকে পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন বাবি দাশ গুপ্তা। তিনি বর্তমানে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, সদরপুর, ফরিদপুরে পোষ্টিং নিয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুরে কর্মরত আছেন।

নিয়োগপত্র ঘেঁটে জানা যায়, নিয়োগের সময়ে পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পদে চাকুরির শর্ত ছিল প্রার্থীকে ফরিদপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। চাকুরিতে প্রবেশের সময় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলীর ১২ নং ক্রমিকে উল্লেখ ছিল যে, স্থায়ী বাসিন্দার ক্ষেত্রে কোন প্রকার ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হলে বা প্রমাণিত হলে তার নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে এবং নিয়োগপত্রের শর্তাবলীর ৭ নং ক্রমিকে উল্লেখ আছে যে, স্থায়ী ঠিকানা সম্পর্কে ভবিষ্যতে কোন গরমিল প্রমাণিত হলে এ নিয়োগ বাতিল বলে গন্য হবে। তার ভূয়া স্থায়ী ঠিকানার ব্যাপারে গত ০৭/১২/২০১৬ খ্রিঃ তারিখে “সময়ের কন্ঠস্বর”/“স্পর্শ বাংলা”/ “স্বাধীন বাংলা ২৪.কম” সহ কয়েকটি জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকায় “ফরিদপুরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ভূয়া পরিচয়ে চাকুরির অভিযোগ” শিরোনামে খবরটি প্রকাশিত হয়।

খবরটি প্রকাশের পর ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকা হতে ঐ সময়ে চাকুরি প্রার্থীরা আবেদন করতে থাকে। কেউ আবেদন করেছে জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর বরাবর। কেউ করেছে উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুর বরাবর। কেউ কেউ আবার আবেদন করেছে মহাপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে শুরু করে সর্ব নিম্ন পর্যায়ে পর্যন্ত। এভাবে অনবরত ঘটনা তদন্তের জন্য বিভিন্ন কার্যালয়ে আবেদন আসতে থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পত্রিকায় খবরটি প্রকাশের পর বাবি দাশ গুপ্তা তাড়াহুড়া করে পুলিশ ভেরিভিকেশনের জন্য আবেদন করে। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুর জরুরী ভিত্তিতে পুলিশ সুপার, ফরিদপুর মহোদয়ের দপ্তরে প্রেরণ করেন। পুলিশ সুপার, ফরিদপুর ০৯/১২/২০১৬ খ্রিঃ তারিখের স্মারক নং ১৭৭৪/১৬ ভিআর অনুযায়ী তদন্ত করেন এসআই/ডিআইও মোঃ আবু সাঈদ শরীফ, বিপি নং ৬৬৮৫০৪৩০৬৫। তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা অর্থাৎ বাসা/হোল্ডিং- ৫৩/১/৩২/৩, গ্রামঃ কবি জসীম উদ্দীন সড়ক, দক্ষিণ আলীপুর, ফরিদপুর তার স্থায়ী ঠিকানা মর্মে ২৫/১২/১৬ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন দেন। তিনি যে বাড়ীতে থাকেন সেই বাড়ীর মালিকের নাম-খান সুলতান মাহমুদ, খান প্লাজা (২য় তলা), আলাউদ্দীন খান সড়ক, দক্ষিণ আলীপুর, ফরিদপুর। এই ঠিকানায় তদন্তের সময় তার জমি, ঘর-বাড়ী, জমির মিউটিশন/নামজারী, যেহেতু পৌরসভার মধ্যে সেহেতু পৌরসভা কর্তৃক প্ল্যান পাশ করা, বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক বিদ্যুৎ বিল, পৌরসভা কর্তৃক পানির বিল আছে কিনা এটা দেখার দায়িত্ব ছিল। কারণ এর বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ এসেছে। হয়তো বা তাকে ম্যানেজ করা হয়েছিল কি-না এ ব্যাপারে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ?

ফরিদপুরের সালথার আরিফ হোসেন নামে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ২০১৩ইং সালের এক চাকরিপ্রার্থী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ২০০৮ইং সালে যে যেখানে চাকুরী বা ব্যবসা বাণিজ্য করতেন সে সেখানেই জাতীয় পরিচয়পত্র করেছেন। তার অর্থ এই নয় যে, সে সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা। যদি বাবি ফরিদপুরের স্থায়ী বাসিন্দা হন তাহলে তাকে ফরিদপুরে জমি/ঘরবাড়ী থাকতে হবে। ভাড়া বাসায় থেকে কখনও কোনদিন স্থায়ী ঠিকানা দাবী করতে পারে না।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ঐ সময়ে চাকুরি প্রার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর মহেদেয়ের ০৪/০১/২০১৭ খ্রিঃ তারিখের ০৫.১২.২৯০০.০২৩.২৭.০১০. ১৭-০৭/১(২) নং স্মারকে উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুরকে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি বিষয়টি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে ফেলে রাখেন। এখানে প্রশ্ন থেকে যায় যে, ভূয়া স্থায়ী ঠিকানায় চাকুরি গ্রহণকারীকে আপনি পুলিশ ভেরিভিকেশনের জন্য তাড়াতাড়ি ফরাডিং দিতে পারেন আর তার বিরুদ্ধে তদন্তে প্রতিবেদন দিতে পারেন না এটা কি করে সম্ভব।

আরিফ বলেন, হয় তো তদন্ত কর্মকর্তা ভেবেছেন যে, পুলিশ ভেরিভিকেশন তার পক্ষে যে ভাবে হোক আনতে হবে। তারপর ঐ প্রতিবেদন অনুযায়ী রিপোর্ট দিবেন। কিন্তু ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক পরবর্তীতে ২৭/০২/২০১৭ খ্রিঃ তারিখের ০৫.১২.২৯০০.০০৬.৯৯.০০৯০.১৭-১২৭ নং স্মারকে আবার উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুরকে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলেন। তখন উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুর মহোদয়ের ০২/০৩/২০১৭ খ্রিঃ তারিখের জেপপ/ফরিদ/১৮৭ নং স্মারকের মাধ্যমে অভিযোগকারী ব্যক্তিদের তার কার্যালয়ে ০৬/০৩/২০১৭ খ্রিঃ তারিখে অফিস চলাকালীন সময়ে প্রমাণাদিসহ উপস্থিত হয়ে তার বক্তব্য দেওয়ার জন্য চিঠিতে উল্লেখ করেন।

ঐ দিন অফিস চলাকালীন সময়ে হাজির হয়ে অভিযোগকারীরা তাদের নিকট সংরক্ষিত প্রমাণাদিসহ লিখিত জবাব প্রদান করেন। জবাব প্রদানের সময় উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুর তাদের নিকট দুইটি সীটে স্বাক্ষর নেন। একটি কথা বলেছিল এটি আপনাদের হাজিরা সীট। আরেকটি তাদের জবাব বন্ধির কিছু কথায় তারা স্বাক্ষর করে কিন্তু আপোষ করার কোন কথা ওখানে বলা হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে ঐ কর্মকর্তা বাদির সরল বিশ্বাসে ফাঁকা শিটে কৌশলে স্বাক্ষর নিয়ে সেখানে তিনি নিজ হাতে আপোষনামা লিখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জমা দেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।

জানা যায়, এদিকে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুরের কর্মকর্তা ০৫/০৩/২০১৭ খ্রিঃ তারিখের উপপস/ফরিদ/২০১৭/৭৩ নং স্মারকে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার লিখিত জবাব প্রদান করেন। তার মূল কর্মস্থল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, সদরপুর, ফরিদপুর। তার ফরাডিং দিবেন সদরপুরের কর্মকর্তা। কারণ তার সার্ভিস বুক, ব্যক্তিগত নথি এবং বেতন-ভাতাসহ সকল আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে সদরপুর উপজেলা হতে। অভিযুক্ত ব্যক্তির যা জমা দেওয়ার তা তার নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (সদরপুর) এর মাধ্যমে ফরাডিং হয়ে আসবে। এটা চাকুরীর নিয়ম বলে জানা যায়।

এখানেও সে একটা ফাঁক খোজার চেষ্টা করেছেন। তিনি তদন্ত কর্মকর্তার নিকট ২০০৮ সালের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেল দেওয়ার পর নামের বানানের সংশোধনের জাতীয় পরিচয়পত্র, ২০১৬ইং সালের মাঝামাঝিতে করা আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট, পৌরসভা কর্তৃক নাগরিক সনদ, ২০১৬ইং সালে পৌরসভা কর্তৃক জন্ম নিবন্ধন, পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কমিশনার কর্তৃক প্রত্যায়ন এবং অভিযোগ উঠার পর করানো পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তার জাতীয় পরিচয়পত্রের কথা পূর্বে বলা হয়েছে। ২০০৮ইং সালের জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম ছিল বাবি সেন গুপ্তা ২০১৫ইং সালে জাতীয় বেতন স্কেল দেওয়ার পর নামের বানানের সংশোধন করে বাবি দাশ গুপ্তা করা হয়।

২০১৬ইং সালের মাঝামাঝিতে করা আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট করা হয়েছে তাতে তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা (সদরপুর) ফরাডিং দেননি। সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাসপোর্ট করার নিয়ম হলো তার মূল কর্মস্থলের নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ (জেলা কর্মকর্তা) মাধ্যমে (এনওসি) ফরম পূরণ করে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেওয়ার জন্য অধিদপ্তরে প্রেরণ করবে। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট হতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস প্রার্থীর ডাটা আপলোড পূর্বক তাকে আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট দিবেন। এটা হলো বৈধ নিয়ম।

আরিফ বলেন, যেহেতু এটা নিয়মের মধ্যে হয় নাই সেহেতু অবশ্যই অনিয়ম হয়েছে। এমন কি টাকা দিয়ে তিনি তখন পুলিশ ভেরিভিকেশন করিয়ে ছিলেন। পুলিশকে তার বাড়ীতে আসতে দেয়নি। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে তিনি পৌরসভা হতে নাগরিক সনদ নিয়েছেন কিন্তু তখন তার জন্ম সনদ ছিল বরিশালের জেলার আগৈলঝরা উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের। বর্তমানে তিনি পৌরসভা হতে জন্ম সনদ করেছেন (২০১৬ সালে)। পুলিশ ভেরিভিকেশন করেছেন ২৫/১২/২০১৬ তারিখে। ২০১৩ সালে তার কোন প্রমাণাদি নাই। ২০১৩ সালের নিয়োগকে বৈধ করতে যা করছেন সবই ২০১৬ সালের। এ থেকে কি প্রমাণ হয় না যে, সে ফরিদপুরের স্থায়ী বাসিন্দা নয় ?

অভিযোগ রয়েছে, উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, ফরিদপুর ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করার কথা থাকলেও তিনি কাজটি করেছেন তার অফিসে বসে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বাসার ঠিকানা (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী) অর্থাৎ বাসা/হোল্ডিং- ৫৩/১/৩২/৩, গ্রাম/মহল্লাঃ কবি জসীম উদ্দীন সড়ক, দক্ষিণ আলীপুর, ফরিদপুর কিন্তু তার ভাড়া বাড়ীর ঠিকানা-মালিকের নাম খান সুলতান মাহমুদ, খান প্লাজা (২য় তলা), আলাউদ্দীন খান সড়ক, দক্ষিণ আলীপুর, ফরিদপুর এ না গিয়ে তার জমি, ঘর-বাড়ী, জমির মিউটিশন/নামজারী, যেহেতু পৌরসভার মধ্যে ঠিকানা সেহেতু পৌরসভা কর্তৃক বিল্ডিং এর প্ল্যান, বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক বিদ্যুৎ বিল, পৌরসভা কর্তৃক পানির বিল আছে কিনা তা সরেজমিনে তদন্ত না করে ঘটনাটি থামা-চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরিফ অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ তার ভূয়া/ জালিয়াতি করে বানানো কাগজপত্র নিয়ে টানাটানি করেছেন। তার পক্ষ নিচ্ছেন। অন্যায়কে প্রশয় দিচ্ছেন। তদন্ত কর্মকর্তা তার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে খুশি করার জন্য কাজটি করেছেন। কোল ঠাসা করে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ফরিদপুরের জেলা কোটায় অন্য জেলার প্রার্থীরা চাকুরি নিয়েছেন এতে ফরিদপুরের অধিকার ক্ষুন্ন হয়নি ? যদি ক্ষুন্ন হয়ে থাকে তাহলে বিভিন্ন মহল কেন চুপ করে আছেন ? কেন এর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। না কি ভূয়া, জালিয়াতি, দূর্নীতি সক্রিয় হয়ে থাকবে। সত্য কি প্রকাশ পাবে না ?

উল্লেখ রয়েছে যে, বাবি দাশ গুপ্তার বাবার বাড়ী বরিশাল জেলার আগৈলঝরা উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্য শিহিপাশা গ্রামে। তার বাবার নাম বিজয় দাশ গুপ্তা এবং মাতার নাম কাজল দাশ গুপ্তা। স্বামীর বাড়ী সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বেজগাতী ইউনিয়নের বেজগাতী গ্রামে। তার স্বামীর নাম দিপঙ্কর সেন গুপ্তা। শ্বশুড়ের নাম দিলীপ কুমার সেন গুপ্ত এবং শ্বাশড়ীর নাম অনুরাধা সেন গুপ্ত। এই দুটি তার স্থায়ী ঠিকানা। ফরিদপুর তার স্থায়ী ঠিকানা নয়। ফরিদপুরের ১২৬ নং আলীপুর মৌজায় তার নিজের/স্বামীর/পিতার নামে কোন বাড়ী বা এক শতাংশ জমিও নেই।