যশোরে ধর্ষণের শিকার প্রথম ও চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ুয়া দুই শিশুছাত্রী

যশোর :যশোরে চতুর্থ শ্রেণীর এক শিশু ছাত্রী ও মেহেরপুরের মুজিবনগরে প্রথম শ্রেণীর এক শিশু ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

শহরের বেজপাড়া এলাকায় শনিবার সকালে প্রতিবেশি এক বৃদ্ধ কতৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছে চতুর্থ শ্রেনীর এক ছাত্রী । যশোরে শিশু স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মোমরেজ আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে এলাকার মহিলারা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে। ওই শিশু (১১) ও ধর্ষক  দু’জনই যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার ভোরে শহরের বেজপাড়ার একটি বাড়িতে।

শিশুর মা জানান, তার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। মেয়েটি তার নানীর কাছে থেকে লেখাপড়া করে। গত শনিবার ভোরে মোমরেজ তার মেয়েকে ডেকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। তখন মোমরেজের স্ত্রী এবং মেয়ে বাসায় ছিলো না। মোমরেজের স্ত্রী অন্যের বাসায় কাজ করে। এ সুযোগে মোমরেজ শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

এ সময় শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশী সুমনের স্ত্রী আকলিমা ঘরের কাছে এসে বেড়ার ফাঁক দিয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি দেখতে পান। এরপর ঘটনা জানাজানি হলে মোমরেজ পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটির কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন তার পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন। সন্ধ্যার দিকে মোমরেজ বাড়িতে এলে এলাকার মহিলারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ মোমরেজকে ধরে থানায় নিয়ে যায়। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, মেয়েটি হাসপাতালে ভর্তি আছে, তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেয়া হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার আগে কিছু বলা যাবে না।

কোতোয়ালী থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মোমরেজকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

মেহেরপুর : মেহেরপুরে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬ বছর বয়সী এক শিশু।  শিশুটির  বাড়ি মুজিবনগরের সোনাপুর মাঝপাড়া গ্রামে। সে সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সোনাপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিন আলীর ছেলে মাজেদুল শনিবার দুপুরে ভুলিয়ে-ভালিয়ে ওই ছাত্রীকে একটি ভাঙা বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে ধর্ষক পালিয়ে যায়। শিশুকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এক নারী শ্রমিককে তার সহকর্মী কতৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছে।  এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার নারী বন্দর থানার ২০নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা বেপারীপাড়ায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।

শনিবার তিনি মাধবপাশা এলাকার খোকনের বাড়ির ভাড়াটিয়া আবদুল মতিনের সঙ্গে ফরাজিকান্দার খালেক মিয়ার বাড়িতে নির্মাণ কাজ করছিলেন। এ সময় মতিন নারী শ্রমিককে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এলাকাবাসী মতিনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।