সাবমেরিন থাকায় যেসব সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক– গেল রোববারই (১২ মার্চ) ত্রিমাত্রিক শক্তিতে রূপ নেয় বাংলাদেশ নৌবাহিনী। কেননা, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চীন থেকে আনা আধুনিক দুই সাবমেরিন (ডুবো যুদ্ধজাহাজ) নবযাত্রা ও জয়যাত্রা নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। আর এরই মধ্য দিয়ে সাবমেরিন যুগে পদার্পণ করে বাংলাদেশ।

বিশ্লেষকদের মতে, সাবমেরিনদুটি বাংলাদেশের কৌশলগত শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছে।

image-69328-1489468506এ অঞ্চলে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের কোনো সাবমেরিন নেই। তবে ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইরান ও ইন্দোনেশিয়ার আছে।

এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল আব্দুর রশীদ বলেন, কার আছে, কার নাই এটা মুখ্য নয়৷ তাছাড়া বাংলাদেশ কারুর সঙ্গে যুদ্ধের মানসিকতা নিয়েও সাবমেরিন কেনেনি। বাংলাদেশ চায় তার নৌ-সীমা নিরাপদ রাখতে। আর এটা সত্য যে, সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ত্রিমাত্রিকতার দিকে যাত্রা শুরু করলো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এখন যা সমুদ্রসীমা এবং সমুদ্র সম্পদ, তার পাহারায় সাবমেরিনের প্রয়োজন আছে। শত্রু এবং জলদস্যুরা যখন জানবে বাংলাদেশের সাবমেরিন সক্ষমতা সম্পর্কে তখন তারা অনেক কিছু থেকেই নিবৃত হবে।

চীন থেকে আনা এই সাবমেরিন পুরনো-এমন সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, এটা ঠিক যে এই দু’টি সাবমেরিন নব্বইয়ের দশকে বানানো হয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, এগুলো পুরনো। কারণ এই সাবমেরিন দু’টো নবায়ন করা হয়েছে, নতুন শক্তি দেওয়া হয়েছে।

রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এগুলো কনভেনশনাল সাবমেরিন এবং এই সাবমেরিনের ফলে বাংলাদেশ কৌশলগত সুবিধা পাবে। এছাড়া এই সাবমেরিনগুলোকে পুরনো বলার সুযোগ নেই। কারণ এর চেয়ে আরো আগের সাবমেরিন এখনও ব্যবহার হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সাবমেরিনের সুবিধা হলো একে চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। সে কারণে এগুলো একটি ‘ডিটারেন্স’ হিসেবে কাজ করে। তাই জলসীমার নিরাপত্তায় এখন বাংলাদেশ অবশ্যই কৌশলগত সুবিধা পাবে। ডয়চে ভেলে