“দিল্লীর টার্গেট বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী”

সময়ের কণ্ঠস্বর ~ বন্ধুর বেশে হিন্দুস্থান বাংলাদেশের নদী-বন-সীমান্ত ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ২০ দলীয় জোটের শরীক দল জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান।

তিনি বলেন, এখন দিল্লীর টার্গেট বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। জনগণ মনে করে বাংলাদেশকে সিকিম-ভুটানের মত করদ রাজ্যে পরিণত করতে সামরিক-গোলামী চুক্তি এবং ভারতীয় সেনাপ্রধানের ঘন ঘন বাংলাদেশ সফর। এই আগ্রাসী সফরের প্রতিবাদে দেশপ্রেমিক জনগণকে বিক্ষোভে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানান তিনি।

জাগপা সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের সবকিছু তুলে দেয়ার পরেও শেখ হাসিনাকে দিল্লী থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে। দিল্লীর নীলনকশায় অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর সেবাদাস সরকার ট্রানজিট-করিডোরসহ সবই নিঃশর্তভাবে দিল্লীর হাতে তুলে দিয়েছে।

শনিবার আসাদ গেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

Screenshot_44

ফাইল ছবি

জাগপার সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- নির্বাহী কমিটির সদস্য মাস্টার এম.এ মান্নান, আসাদুর রহমান খান, মো. হাসমত উল্লাহ, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, শেখ জামাল উদ্দিন, আওলাদ হোসেন শিল্পী, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন মোড়ল, ইনসান আলম আক্কাছ ও মানিক সরকার প্রমুখ।

শফিউল আলম বলেন, হাওড় জনপদে অসহায় মানুষের কান্না শুনতে হচ্ছে কেন? সীমান্তে পাখির মত নিরাপরাধ মানুষ হত্যা, সুন্দরবন বিনাশী রামপাল প্রকল্পের পর এখন ভারতীয় ইউরেনিয়াম খনির তেজস্ক্রিয়তায় সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেটের হাওড় অঞ্চলের ধান, মাছ, হাঁস, পাখি ও জীব বৈচিত্র্যের বিরুদ্ধে ধ্বংসলীলা চালানো হচ্ছে। বন্ধুর বেশে হিন্দুস্থান বাংলাদেশের নদী-বন-সীমান্ত ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। নতজানু হয়ে আমরা কিছুই করতে পারবো না। হিম্মতের সাথে রুখে দাঁড়াতেই হবে।

নির্বাহী কমিটির সভায় বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।