পরিবেশ ঠিক রেখে চিংড়ী চাষ করতে হবে -মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

জিএসকে শান্ত, স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট:

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, পরিবেশ ঠিক রেখে চিংড়ী চাষ করতে হবে। মাছ চাষ করে স্বাবলম্ভী হওয়া সম্ভব। দেশের উন্নয়নে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে চাষীদের এগিয়ে আসতে হবে।

শুক্রবার (১৯ মে) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘Empowering the Smallholder Aquaculturw Farmers in Bangladesh: Improving Supply Chain Efficency and Traceability’ শীর্ষক কনসাল্টেশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তি‌নি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে একটি অনুষ্ঠানে বলে ছিলেন মাছ হবে এদেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উপাদান। তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি অর্জন করে স্বাধীনতা। তাঁর স্বপ্ন ছিলো দেশকে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়া। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন শক্ত অবস্থা‌নে রয়েছে। বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক সচিব এ কে এম জাফরুল্লাহ খান, বাংলাদেশ শ্রিম্প ও ফিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক, বিএফএফইএ’র পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবির, উপপরিচালক মোঃ গুলজার হোসেন, খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক রণজিত কুমার পাল, খুলনা মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণের উপপরিচালক প্রফুল কুমার সরকার, সলিদারিদাদ নেটওয়ার্ক এর কান্ট্রি ম্যানেজার মোঃ সেলিম হাসান, ইউনিফক্স ডিজিটালের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার সৌরভ ইসলাম এবং সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম সরদার প্রমূখ।

স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ আল আসাদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সলিদারিদাদ নেটওয়ার্ক এশিয়ার টিম লিডার মোঃ মঈন উদ্দিন।

পরে প্রতিমন্ত্রী আট জন লিম লিডারদের মাঝে মোবাইল ফোন বিতরণ করেন। মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শ্রিম্প এন্ড ফিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং সলিদারিদাদ নেটওয়ার্ক এশিয়া এ কর্মশালায় সহযোগিতা করে। কর্মশালায় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, চিংড়ী চাষী ও স্থানীয় সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করেন।