যে কারণে প্রকাশ্যে ভারতের জাতীয় পতাকা পোড়াচ্ছেন এই তরুণী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের মতো ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট স্বাধীনতা পেলেও ১৫ অগাস্ট ফের পরাধীন হয়েছি। তখন থেকে এখন আমরা ভারতের দাসত্ব বহন করে চলেছি।

এই মন্তব্য করে ভারতের জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেছিল এক নাগা তরুণী। তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে নাগাল্যান্ড সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায়।

জানেন, কেন প্রকাশ্যে ভারতের জাতীয় পতাকা পোড়াচ্ছেন এই তরুণী? ১৪ অগাস্ট পাকিস্তানকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারত বিদ্বেষী বক্তব্য পেশ করে ওই তরুণী। ভারতের স্বাধীনতা দিবস

১৫ অগাস্ট নাগাল্যান্ডের কাছে কালো দিন বলেও জানিয়েছে সে।

পাকিস্তানের কাছে নাগাল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে সেই ভিডিওতে। নিজেকে নাগাল্যান্ডের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করেছে ওই তরুণী। ওই ফেসবুক পোস্টে তরুণীটি লিখেছে, ‘আমরা ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীনতা পেলেও ভারতের দাসত্ব করে চলেছি। নাগারা এখন ব্রাহ্মণ সন্ত্রাসের সঙ্গে লড়াই করে চলেছি। কাশ্মীরি এবং শিখদের মতো আমরাও স্বাধীনতা চাই।’ একইসঙ্গে তার আরও দাবি, ‘নাগাল্যান্ড ভারতের অংশ নয়, নাগারা ভারতীয় নয়। আমাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস আছে।’

এই ভিডিও পোস্ট হওয়ার পরেই চরম এই তরুণীটির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত রিপোর্ট হওয়ার কারণে সেই ভিডিওটি মুছে দিয়েছে ফেসবুক। একইসঙ্গে মনে করা হচ্ছে নাগাল্যান্ডের অধিবাসীদের মতো দেখতে হলেও ওই তরুণী আসলে চিনের নাগরিক।

নিজের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয়েছে ওই ভিডিও। ওই ফেসবুক পেজে অনেক পাকিস্তানী ফলোয়ার রয়েছে। যারা ভারতের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে। শুধু তাই নয়, মেয়েটি নাগাল্যান্ড বলে মণিপুরের হিংসার ছবি পোস্ট করেছে।