বিকেল মুগদায়, রাতে যাত্রাবাড়িতে ভাঙ্গারির দোকানে বিস্ফোরনে দুইজনের মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ ৪

রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে ম্যানহোল বিস্ফোরনে ঘটনাস্থলেই দোকানী ও গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা-
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মানিকনগরে গোলাপবাগ বড় পুকুরপাড়ের একটি পাশে থাকা একটি ট্রান্সফর্মারের আগুনে পাশে থাকা ভাঙ্গারির দোকানে বিস্ফোরণের ফলে ঘটনাস্থলেই এক দোকানী ও এক গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক ব্যক্তি । আজ সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে আকস্মিক এ ঘটনা ঘটে। এর আগে আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর মুগদার মান্ডায় আফরোজা এন্টারপ্রাইজ নামে এক ভাঙ্গারি দোকানে হাইড্রোলিক মেশিন বিস্ফোরণে তিন জন দগ্ধ হয়েছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে এ ঘটনায় আহত আবুল হাশেম (২৫) নামে অন্য এক ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বিস্ফোরণে দুই জন মারা গেছে । ঘটনাস্থলে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন। তিনি আরও জানান, মানিকনগর গরুর হাটে প্রবেশের একটি সড়কের পাশে বিস্ফোরন হলে এক দোকানি ও এক গরু ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত অন্য এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার মাহমুদুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে একটি ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হয়। এতে ওই ট্রান্সফরমারের নিচে থাকা প্লাস্টিক ও ভাঙ্গারির দোকানের মানুষ দগ্ধ হন। এর মধ্যে দুই জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহতদের মধ্যে একজনকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

এর আগে রাজধানীর মুগদার মান্ডায় আফরোজা এন্টারপ্রাইজ নামে এক ভাঙ্গারি দোকানে হাইড্রোলিক মেশিন বিস্ফোরণে তিন জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৮ আগস্ট) বেলা সোয়া ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

আহতরা হলেন- দোকান মালিক মো. আলম (৩৩), কর্মচারী আনোয়ার হোসেন (২২) ও কর্মচারী মমিন (২০)।

দগ্ধ আনোয়ার বলেন, ‘আমরা সুগন্ধীর বোতলসহ বিভিন্ন মালামাল হাইড্রোলিক মেশিনের মাধ্যমে চেপ্টা করার কাজ করছিলাম। এসময় বিস্ফোরণ ঘটে।’

বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘দগ্ধ তিন জনের কাউকেই আশঙ্কা মুক্ত বলা যাবে না। কারণ, তাদের শ্বাসনালীতে আগুন লেগেছে। আলমের শরীরের ৫৭ শতাংশ, আনোয়ারের ৩০ শতাংশ ও মমিনের ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে আলম ও আনোয়ারের অবস্থা বেশি গুরুতর।’