‘প্রত্যেকটি ঈদ জামাতস্থলে শরীর তল্লাশি চলবে’

সময়ের কণ্ঠস্বর: ঈদের জামাতে জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। শরীর তল্লাশির মাধ্যমে ঈদগাহে ঢুকতে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর আফতাবনগর পশুর হাট পরিদর্শনকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররম মসজিদে ঈদুল আজহার মূল জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রাজধানীতে আরও ৬০০ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য সারা ঢাকায় কড়া নিরাপত্তা প্রদানসহ জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মৎস ভবন থেকে হাইকোর্টের মাজার গেইট ও ইউবিএল ক্রসিং এলাকা পর্যন্ত পুলিশের তল্লাশির কাজ চলবে। এছাড়া প্রত্যেকটি ঈদ জামাতস্থলে শরীর তল্লাশি চলবে।

প্রত্যেকটি পশুর হাট, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে পুলিশের কড়া নজরদারি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি পশুর হাটে পুলিশের ক্যাম্প রয়েছে। সেখানে জালটাকা শনাক্তকরণসহ নাগরিকদের যাবতীয় সুবিধা ও কড়া নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশি পোশাক ছাড়াও সাদা পোশাকে ব্যাপক পরিমাণ পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

এছাড়া ঢাকার প্রতিটি এক্সিট পয়েন্ট পুলিশের ক্যাম্প রয়েছে। এই ক্যাম্পগুলো থাকবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া বাস, লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশনে সেবা ও নিরাপত্তা অব্যাহত আছে। এবারের ঈদযাত্রায় কোনো নাশকতার খবর কোথাও থেকে এখনও পাওয়া যায় নি।

এছাড়া কোরবানির চামড়া বিষয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, কোরবানির চামড়া নিয়ে যাতে অনাকাঙ্খিত ঘটনা না ঘটে আর মৌসুমী ব্যবসায়ীরা যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করতে না পারে এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে ও থাকবে।

এবারও হাজারীবাগে চামড়া প্রস্তুতের কাজ চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, সাভার চামড়া শিল্পনগরী এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। বাইরে কোনো চামড়া যাবে না, যাতে করে চামড়া পাচারের ঘটনা না ঘটে। খুব অল্প পরিমাণ চামড়া হয়তো সাভারে যাবে।

এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আরও অন্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ডিএমপি কমিশনার আফতাবনগর হাট ঘুরে দেখেন ও পুলিশের জালটাকার নোট পরীক্ষার মেশিনসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।