উপকূলে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, দাম কম

এম এ সাইদ খোকন, বরগুনা প্রতিনিধি- বরগুনার আমতলীসহ উপকূলীয় আমতলী-তালতলীর হাট বাজারে কমেছে সব ধরনের ইলিশের দাম।

বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় একদিকে যেমন দাম নিম্নমুখী তেমনি বিক্রিও হচ্ছে বেশি। জেলেদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা। শনিবার আমতলী তালতলীসহ উপকূলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, ২৫০টাকা থেকে সর্বোচ্ছ ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বাজারে ৬ পিস মাছে ১ কেজি হয় এমন মাছ ২৫০ টাকা দরে, আর ৩ পিস কেজি মাছ ৩৫০টাকা থেকে ৪০০ টাকায়, ২ পিসে কেজি মাছ ৬৫০টাকা থেকে ৮০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম থেকে ১০০০ টাকা গ্রামের মাছ বিক্রি হয়েছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, গত ১৫ দিন যাবত ইলিশের দাম নিম্নমুখী রয়েছে। আমতলী বাজারের ব্যবসায়ী নুর আলম জানান, ভাদ্র মাসের শেষ ১৫ দিন থেকে আশ্বিন মাসের প্রথম ১৫ দিন সাগরের উপকুলীয় এলাকায় ইলিশ মাছ ডিম পাড়ে।

ফলে সাগরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে এবং বাজারে প্রচুর পরিমানে ইলিশ থাকায় দাম কম হওয়ায় নিম্ন আয়ের ক্রেতারা সহজে মাছ ক্রয় করতে পারছে। মাছ বাজারগুলোতে অবিক্রিত মাছ শহরের অলিগলিতে ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে মাজারি সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি।

বাজারের ক্রেতা মো. কবির দেওয়ান জানান, বাজারে প্রতিটি দোকানে ইলিশ থাকা ও দাম কম থাকায় ইলিশের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার আপু জানান, বিশ্বের ১১টি দেশে ইলিশ উৎপাদন হত। এদের মধ্যে ১০টি দেশে ইলিশ উৎপাদন কমেছে। শুধুমাত্র বাংলাদেশে বেড়েছে ইলিশের উৎপাদন। যার কারণ বাংলাদেশে ইলিশের অভয়াশ্রম তৈরি করা হয়েছে।

তিনি জানান, উপকুলে যে পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে তা চাহিদা পূরণ হয়ে অন্য জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব। প্রচুর পরিমাণে ইলিশ আসায় দাম কমেছে অনেক।

আরআই