নিরবতা ভেঙে ডিভোর্স গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন শাবনুরের স্বামী অনিক

সময়ের কণ্ঠস্বর ~ শাবনূর বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ৯০ দশক থেকে এ পর্যন্ত আসা চিত্র তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিত্র তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশাম পরিচালিত চাঁদনী রাতে সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আগমন শাবনূরের। প্রথম ছবি ব্যর্থ হলেও পরে সালমান শাহের সাথে জুটি গড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। একে একে এ জুটি সুপারহিট ছবি দিতে থাকেন। সালমানের অকাল মৃত্যুতে সাময়িক ভাবে শাবনূরের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়লেও তার চিরায়ত বাঙালি প্রেমিকার ইমেজ এবং অসাধারন অভিনয় ক্ষমতা তাকে দর্শকদের হৃদয়ে শক্ত আসন গড়তে সাহায্য করে। পরে রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস ও শাকিব খান এর সাথে জনপ্রিয় জুটি গড়ে অসংখ্য ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় ছবি উপহার দেন। ক্যারিয়ারের শেষের দিকে ছিপছিপে গড়ন ও সুশ্রী চেহারার এই অসম্ভব সুন্দরী নায়িকা মুটিয়ে গেলে সমালোচিত হন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়াতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।

শাবনূর ২০০৫ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত দুই নয়নের আলো ছবিতে অভিনয় করে তার ক্যারিয়ারের একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে রেকর্ড পরিমান ১০ বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন।

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হয়। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে পুত্র সন্তানের মা হন শাবনূর।

অভিনয় ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন এক সময়ের তোলপাড় ফেলে দেয়া ঢাকাই ছবির চিত্রনায়িকা শাবনূর। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া থাকলেও বেশ কয়েক মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি। মিশছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মানুষদের সঙ্গেই। আর এই কারণেই মিডিয়ায় গুঞ্জন ওঠছে, তাহলে কি ডিভোর্সের পথে শাবনূর?

তবে এ বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করলেন অনিক। তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে নিয়ে এ গুঞ্জন নতুন নয়। গত দু’বছর ধরে এটা শুনে আসছি। এ ব্যাপারে আমার বা শাবনূরের কোনো মাথা ব্যথা নেই। এটা ভিত্তিহীন গুজব।’

অনিক বলেন, ‘এটা ঠিক আছে আমরা দু’জন একসাথে মিডিয়ার সামনে খুব কমই আসি। কিন্তু একসাথে পারিবারিক নানা অনুষ্ঠানে অংশ নিই। এটা আমাদের বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। এছাড়া আমাকে ব্যবসার কাজে প্রায়ই দেশের বাইরে থাকতে হয়। এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত আমি দেশের বাইরে ছিলাম। অন্যদিকে শাবনূরকেও নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়।’