আন্তর্জাতিক গণ-আদালত সু চি’র বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- নিপীড়নের শিকার হয়ে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম নিজ দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। শুধু রোহিঙ্গা নয়, কাচিন, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিয়ানমারের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে একটি আন্তর্জাতিক গণআদালতে বিচার শুরু হয়েছে।

সোমবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে রোমভিত্তিক পারমানেন্ট পিপলস ট্রাইব্যুনালে (পিপিটি) শেষ পর্বের এই শুনানি হয়।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্ট্রে্ইট টাইমস জানিয়েছে শুক্রবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। বিচারকদের এ রায় জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও গোষ্ঠীর কাছে পাঠানো হবে।

সুচিই প্রথম কোনো নোবেল জয়ী যিনি ব্যতিক্রমী এ আদালতে বিচারের সম্মুখীন হলেন এবং সম্ভবত দণ্ডিত হতে যাচ্ছেন। এই ট্রাইব্যুনালে রোহিঙ্গা ও কাচিন সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় অপরাধের বর্ণনা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে মিয়ানমারে মুসলিম নিপীড়ন বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হবে। আট সদস্যের বিচারক প্যানেলে রয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও আইনজীবীরা। এছাড়া শুনানিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকও অংশ নিয়েছেন।

শুনানির জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী, পুলিশ, অন্যান্য বৌদ্ধ মিলিশিয়া এবং দেশটির বর্তমান বেসামরিক সরকার অভিযুক্ত।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি