সংবাদ প্রকাশের পর তাড়াশে কার্লভাটের মুখ অপসারণ

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: চার গ্রামে স্থায়ী জলাবদ্ধতা “তাড়াশে ক্ষতির মুখে ১০ হাজার বিঘা ফসলি জমি” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক কামরুন্নাহার সিদ্দীকার নির্দেশে কালর্ভাটের মুখ খুলে দিয়েছেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

বৃহস্পতিবার সকালে তাড়াশ উজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম ফেরদৌস ইসলাম সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউপির নাদোসৈয়দপুর বাহিরপাড়া গ্রামে গিয়ে কালভার্ট এর মুখ খুলে দেন।

এতে চার গ্রামের ১০ হাজার বিঘা জমির জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পেল। হাসি ফুটলো প্রায় ৫ হাজার মানুষের। এ সময় সাথে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান এম আতিকুল ইসলাম বুলবুল।

প্রসঙ্গত, উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর, বিন্নাবাড়ি চরকুশাবাড়ি ও বাহির পাড়া গ্রামের প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি ও শতাধিক বাড়ি ২ মাস ধরে জলাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। এতে ওই এলাকার কৃষকেরা আবাদ করতে না পারায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। চর এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য নাদোসৈয়দপুর বাহির পাড়া গ্রামে একটি কালভার্ট রয়েছে। যে কালভার্ট দিয়ে বর্ষা বা বৃষ্টির পানি নেমে যায়।

অবৈধভাবে কালভার্টের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করে মাটি ভরাট করায় স্থায়ী এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কালভার্টের মুখ বন্ধ করে স্থানীয় একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, আবুল কালাম ও সালাম অবৈধভাবে কালভার্টের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছে কিন্তু সামান্য ৩ গজ জায়গার মাটি কেটে দিলে কৃষকের প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমির পানি নেমে যাবে। এতে কৃষকরা আগাম জাতের রবিশস্য আবাদ করতে পারবেন।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি