চাপের মুখে বাংলাদেশ

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক: দিনের শুরুতেই আজ বিদায় নেয় লিটন দাস। কিন্তেু সে ধাক্কা বেশ ভালোই সামাল দিয়েছেন মমিনুল ও কায়েস জুটি। তারা দুজনে ৭১ রানের জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু কায়েসে ৫১ রানে ফিরলে হাল ধরতে নামেন মুশফিক। কিন্তু তিনি বেশি দূর যেতে পারলেন না। ক্যাচ আউট হয়ে তিনি প্যালিলনে ফিরে গেছেন।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইংনিংস: ৯৬/৪

এই মুহূর্তে ক্রিজে আছেন: মাহমুদউল্লাহ (০) ও সাব্বির (০)

প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম ইংনিংসে রান পেলেও দ্বিতীয় ইংনিংসে হতাশ করলেন টাইগার অধিনায়ক মুশফিক। কায়েসের বিদায়ের পর তিনি মমিনুলেন সাথে ক্রিজে জুটি বাধতে চেষ্টা করেন । কিন্তু ব্যাক্তিগত ৩ রানে ফিরে গেছেন তিনি।মুশফিক ফিরেছিলেন দলীয় ৯১ রানে আর তার সাথে আর৫ রান যোগ করেই ফিরেলেন মমিনুল। তিনি অিাউট হওয়ার আগে ৩৩ রান করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পর অর্ধশতকের দেখা পেলেন ইমরুল কায়েস। তিনি মূলত এতজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান। তবে তাকে দলে খেলতে হচ্ছিল ওয়ান ডাউনে। তাই সেখানে নিজেকে খুব একটা মেলে ধরতে পারছিলেন না। কিন্তু প্রোটিয়া ইনভাইটেশন ইলেভেনের বিপক্ষে দুই ইংনিংসেই রানের দেখা পেয়েছেন তিনি। প্রথম ইংনিংসে ৩৪ রানে আউট হলেও এবার দ্বিতীয় ইংনিংসে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন। হাফ সেঞ্চুরির পেতে তিনি ছয়টি বাউন্ডার মেরেছেন। এখন কায়েসের সাথে অপর প্রান্তে আছেন মমিনুল হক। তারা দুজনে মিলে দলকে ৭১ রানের জুটি গড়েছেন।

ব্যার্থ হলেন লিটন দাস। মুশফিকের উইকেট কিপিংয়ের বদলি হিসেবে লিটন দাসকে দলে রাখা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও দলে খাতলেও একাদশে জায়গা পাননি। কিন্তু আফ্রিকা সফরে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা ইনভাইটেশন ইলেভেন বিপক্ষে প্রস্তুতি মূলক ম্যাচে নিজেকে ফিরে পেলেনা এ ব্যাটসম্যান। প্রথম ইংনিংসে ০ রানে ফিরে গিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইংনিংসে তাই ওপেনিং করতে পাঠানো হয়। কিন্তু গতে দিনের রানের সাথে কোন রান যোগ না করে ২ রানে ফিরে গেলেন।

তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ব্যাটিং প্রস্তুতিটা ভালোই হয়। ইমরুল-সৌম্য অবশ্য ভালো শুরু করেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। তবে মুমিনুল, মুশফিক থামেন ফিফটি পেরিয়ে। এরপর সাব্বির অর্ধশতক পার হলে ইনিংস ঘোষণা করেন মুশফিক।

সাউথ আফ্রিকারও তিনজন দ্বিতীয় দিন (শুক্রবার) ফিফটির দেখা পেয়েছেন। জুবায়ের হামজা করেন ৬০, ম্যাথিউ ক্রিস্টেনসেন ৫৩, ভন ব্রেগ ৬২*। তিনজনই শতাধিক বল মোকাবিলা করেন। বাংলাদেশের কেউ শতাধিক বল খেলতে পারেননি।সাউথ আফ্রিকা দ্বিতীয় দিন ইনিংস ঘোষণা করার পর বাংলাদেশ কিছুক্ষণ ব্যাট করে। কোনও উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ ৬। এই ইনিংসে ইমরুল কায়েসের (৪*) সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছেন লিটন কুমার দাস (২*)।

বালাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩০৬/৭ডি (৭৪.১ ওভার)

(তামিম ইকবাল ৫, সৌম্য সরকার ৪৩, ইমরুল কায়েস ৩৪, মুমিনুল হক ৬৮, মুশফিকুর রহিম ৬৩, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ০, সাব্বির রহমান ৫৮*, লিটন দাস ০, মেহেদী হাসান মিরাজ ১৮, তাসকিন আহমেদ ৮*; মিগায়েল প্রিটোরিয়াস ১/৪৫, টিলাদি বোকাকো ১/৪৮, ওকুহলে কেলে ০/৬২, মাইকেল কোহেন ৪/২৭, শন ভন বার্গ ১/৯৬, লিউস ডু প্লয় ০/২২)।

ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা ইনভাইটেশন ইলেভেন প্রথম ইনিংস: ৩১৩/৮ডি (৯১ ওভার)

(ইয়াসিন ভাল্লি ১০, আইজ্যাক ডিকগালে ১২, জুবাইর হামজা ৬০, লিউস ডু প্লয় ৪, হেনরিক ক্লাসেন ১৬, ম্যাথু ব্রিৎজকে ৪৪, ম্যাথু ক্রিস্টেনসেন ৫৩, শন ভন বার্গ ৬২*, মিগায়েল প্রিটোরিয়াস ৪২, টিলাদি বোকাকো ৫*; মোস্তাফিজুর রহমান ১/২৮, শুভাশিস রয় ১/২৭, মেহেদী হাসান মিরাজ ১/৫৬, শফিউল ইসলাম ২/৬১, তাসকিন আহমেদ ১/৭০, তাইজুল ইসলাম ১/৪৭, সৌম্য সরকার ০/১৪, সাব্বির রহমান ০/৫)।