‘আমাদের কাজে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না’

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না। যা দেবে তাই আমরা মেনে নেব। নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

ভয়েস অব আমেরিকার (ভোয়া) বাংলা সার্ভিসকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, তারাই নির্বাচন প্রক্রিয়াটাকে ধ্বংস করেন। আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। আজ নির্বাচন যত সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে- এটা আমাদের অবদান।

তিনি বলেন, আমাদের সরকারের আমলে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেতো বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

মানুষ তার পছন্দমতো লোককেই নির্বাচন করবে। আমরা সেটাই চাই। নির্বাচন প্রক্রিয়া আমরাই উন্নতি করেছি। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য একটি দ্বীপ এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র করে দেয়া হবে। তাদের জন্য সাইক্লোন সেন্টার, স্কুল করে দেয়া হবে। চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। যতদিন পর্যন্ত তাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়া না হয়, ততদিন পর্যন্ত তাদের অস্থায়ীভাবে রাখার একটা ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে সব রোহিঙ্গাকে পরিচয়পত্র দেয়া হচ্ছে। তাদের আমরা তালিকাবদ্ধ করে রাখছি। আর ওই দ্বীপে ৫-১০ লাখ লোক রাখা যাবে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘে ভাষণে জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে কথা বলেছেন শেখ হাসিনা। সে বিষয়ে তিনি ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেন, কোনোভাবেই আমরা জঙ্গিবাদকে মেনে নিতে পারি না।

এ ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স। অর্থাৎ কোনোভাবেই আমরা জঙ্গিবাদকে সহ্য করব না। এটি আমরা বন্ধ করব। এ ব্যাপারে আমাদের মাটিও ব্যবহার হতে দেব না। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই।

জঙ্গিবাদে কারা অস্ত্র ও অর্থ জোগান দিচ্ছে, ট্রেনিং দিচ্ছে তাদের বের করতে হবে। এটি বন্ধ করতে হবে। কোনো দেশে কোনো সমস্যা থাকলে আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করতে হবে।

রবি