‘কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা যেকোনো সময়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ‘স্পেন থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র এবং কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাধীনতা ঘোষণা করবে কাতালোনিয়া।’ গত রবিবারের গণভোট শেষে প্রথমবারের মতো দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির স্বাধীনতাকামী নেতা চার্লস পুইজমন্ট।

গত রোববার (১ অক্টোবর) রক্তঝরা নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে গণভোট হয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুইগডেমন্ট এ অবস্থান প্রকাশ করেন। তিনি জানান, চলতি সপ্তাহের শেষে অথবা আগামী সপ্তাহের শুরুতে যথাযথ কার্যক্রম সম্পাদন করবে তার সরকার।

পুইগডেমেন্টের এই সাক্ষাৎকারের আগে স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেখানে তিনি স্প্যানিশদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্পেনের অবস্থা ‘খুবই গুরুতর’। গণভোটের আয়োজকরা নিজেদের ‘আইনের বাইরে’ নিয়ে গেছেন।

মাদ্রিদ সরকারের তীব্র বিরোধিতার মুখে রোববার ওই গণভোটের আয়োজন করা হলে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। এতে দিনভর সংঘর্ষ ও রক্তারক্তি হয়। সারাদিনে প্রায় ৯০০ স্বাধীনতাকামী আহত হয়। আহত হয় ৩০ পুলিশও।

বরাবরের মতোই গণভোট শেষে স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, স্পেনের জনগণ এই অসাংবিধানিক গণভোট ও তার ফলাফলকে মানবে না। তবে তারপরই পুইগডেমন্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেন, কাতালানরা স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার অধিকার জিতে গেছে।

মঙ্গলবারের সাক্ষাৎকারে কাতালান প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণা এখন কয়েকদিনের ব্যাপার মাত্র। এই সপ্তাহের শেষে বা সামনের সপ্তাহের শুরুতেই সে কার্যক্রম শুরু হবে।

যদি বিষয়টি না মেনে কেন্দ্রীয় সরকার হস্তক্ষেপ করে কিংবা কাতালোনিয়ার সরকারেরও নিয়ন্ত্রণে নেয়, তবে কী হবে? এমন এক প্রশ্নের জবাবে পুইগডেমন্ট বলেন, এমন কোনো ভুল যদি করা হয়, তবে সব কিছুই বদলে যাবে।কার্লেস পুইগডেমন্ট বলছেন, স্বাধীনতা ঘোষণা কয়েকদিনের ব্যাপারতিনি জানান, গণভোটের পর থেকেই মাদ্রিদ সরকারের সঙ্গে তার প্রশাসনের কোনো যোগাযোগ নেই।

গণভোটের পরের দিন ইউরোপিয়ান কমিশন বিবৃতি দিয়ে কাতালোনিয়ার ইস্যুকে স্পেনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে যে মন্তব্য করেছে, তাতেও দ্বিমত পোষণ করেন পুইগডেমন্ট।

গণভোটে পুলিশের বাধা দেওয়ায় মঙ্গলবার দিনভর ধর্মঘট পালন করেছে কাতালানরা। আঞ্চলিক রাজধানী বার্সেলোনার রাস্তায়ই নেমেছিল প্রায় ৭ লাখ মানুষ। এই ধর্মঘটে সংহতি জানিয়ে বন্ধ

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি