রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক– গতবারের মতো এ বছরও রসায়ন শাস্ত্রে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন সুইজারল্যান্ডের নাগরিক জ্যাকস ডুবোচেট, জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক জোয়াশিম ফ্র্যাংক এবং ব্রিটিশ নাগরিক রিচার্ড হেন্ডারসন।

বুধবার (৪ অক্টোবর) স্টকহোমে রয়েন সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। ১৯০১ সাল থেকে রসায়নে নোবেল পাওয়ার সম্মান অর্জনকারী ১৭৫ জনের তালিকায় যুক্ত হলেন এ তিন গবেষক।

নোবেল কমিটি জানায়, ক্রিয়ো ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কপির বিকাশে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদেরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। জিকা ভাইরাসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কাজে ক্রিয়ো ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কপির ভূমিকা অপরিসীম।

বিশ্বের ‘সবচেয়ে ক্ষুদ্র যন্ত্র’ তৈরির জন্য গত বছর তিন জন বিজ্ঞানীকে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। তারা হলেন, জ্যঁ-পিয়েরে সাউভেজ, স্যার জে ফ্রেজার স্টোডার্ট এবং বার্নার্ড এল ফেরিঙ্গা।

উল্লেখ্য, সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের শেষ ইচ্ছা অনুসারে গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবতার কল্যাণে অবদানের জন্য প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল তার মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরষ্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি।

পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যু বরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করা এবং নোবেল পুরষ্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। আর বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ একাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি