বকশীগঞ্জে প্রেমিকাকে ফেলে পালিয়েছে প্রতারক প্রেমিক, ৫ দিন ধরে অনশনে কিশোরী

আবদুল লতিফ লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি- মোবাইল ফোনে প্রেম, অতপর বিয়ের প্রলোভনে কৌশলে ডেকে এনে ঘরে আটকে রেখে এক কিশোরীকে টানা চার মাস ধরে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনা ফাসঁ হওয়ায় ওই কিশোরীকে ফেলে পালিয়েছে জিয়া নামে প্রতারক প্রেমিক। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গত ৫ দিন ধরে অবস্থান করছে ওই কিশোরী। এলাকার একটি সুবিধাবাদী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে কিশোরীর পরিবার।

ওই কিশোরী ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলার টেংগারপাড় গ্রামের বাসিন্দা। আর প্রতারক প্রেমিক জিয়া শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের মধ্য খোশালপুর গ্রামের মছমত আলীর ছেলে। সে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের চানপ্লাজার এম এম টেলিকম এন্ড কমিউনিকেট এর কর্মচারী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলার টেংগারপাড় গ্রামের রহিম মিয়ার কিশোরী কন্যা ফুলির (১৬) (ছদ্দনাম) সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের মধ্য খোশালপুর গ্রামের মছমত আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার (২১) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত প্রায় চার মাস আগে জিয়া ওই মেয়েটি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বকশীগঞ্জে নিয়ে আসে। এরপর অজ্ঞাত একটি বাসায় আটকে রেখে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করে।

গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মেয়েটিকে প্রতারক জিয়া চানঁপ্লাজায় নিয়ে আসে। শুক্রবার সকালে বের হওয়ার সময় স্থানীয়রা দেখে ফেলে। এর পরেই প্রেমিকাকে ফেলে পালিয়ে যায় প্রতারক জিয়া। খবর পেয়ে কিশোরীর মা-বাবা এসে মেয়েকে উদ্ধার করে প্রতারক জিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। এর পর থেকেই বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছে ওই কিশোরী। পলাতক রয়েছে প্রেমিক জিয়া। নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে কিশোরী ও তার পরিবার।

এ ব্যাপারে কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হামিদ উল্লাহ তালুকদার জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে বিচারের জন্য আমার কাছে কেউ আসেনি। আমার ধারনা ছেলে পলাতক থাকায় বিষয়টি সুরাহা হচ্ছেনা।

এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম হোসেন বলেন, এ ধরনের কোন অভিযোগ পাইনি।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি