খালেদা আদালত প্রাঙ্গন ছাড়তেই বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের হাতাহাতি

সময়ের কণ্ঠস্বর- জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পরপরই হাতাহাতিতে জড়ালেন তার আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ৫নং বিশেষ জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে এই আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান দুই শর্তে জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে জামিন দেন। তাকে বহনকারী গাড়ি দুপুর সোয়া একটার দিকে আদালত ত্যাগ করে। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফিং করতে দাঁড়ান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

কিন্তু টিভি ক্যামরায় নিজের উপস্থিতি জানান দিতে অন্য সময়ের মতো ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন আইনজীবীরা। এক পর্যায়ে ঢাকা বার কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলমের সঙ্গে সুপ্রিমকোর্টের জুনিয়র আইনজীবী মির্জা আল মাহমুদের কথা কাটাকাটি হয়।

এর একপর্যায়ে খোরশেদ আলমের শরীরে লাথি মারেন মির্জা আল মাহমুদ। এরপর শুরু হয় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। এ সময় শারীরিকভাবে একে অপরকে লাঞ্ছিত করতে থাকেন তারা। পরে ঢাকা বারের আইনজীবীরা মির্জা আল মাহমুদের ওপর চড়াও হন। এতে তার শার্ট ছিঁড়ে যায়। পরে সিনিয়র আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ঢাকা বারের সভাপতি খোরশেদ আলী মিয়া বলেন, ‘আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম, মির্জা মাহমুদ কনুই দিয়ে আমাকে ধাক্কা দেন। এ সময় তিনি আমাকে লাথিও মারেন।’

তিনি দাবি করেন, ‘এ ঘটনা দেখে উপস্থিত আইনজীবীরা ক্ষুব্ধ হন। তারা মির্জা মাহমুদের ওপর চড়াও হন। কিন্তু, আমরা তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।’

তবে খোরশেদ আলীর দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মির্জা আল মাহমুদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রবি