সাভারে প্রতিবেশি কতৃক ধর্ষিত সাতবছরের শিশু! সেনবাগে অপহরনের পর ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী !

সময়ের কণ্ঠস্বর, সাভার প্রতিনিধি-

সাভারে প্রতিবেশী এক বখাটে কতৃক বাড়ির ছাদে সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার শিকার গুরুতর আহত শিশুটিকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। বুধবার দুপুরে তেতুলঝোড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নুরু মেম্বারের হরিণধারার ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমজাদুল হক ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণণে শিশুটির অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়।

ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, তিনি স্ত্রী ও সাত বছরের মেয়েকে নিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধারা এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকেন। বুধবার দুপুরে তার মেয়ে বাড়ির পাশের একটি দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। এসময় প্রতিবেশী এক বখাটে তার মেয়েকে নুরু মেম্বারের বাড়ির ছাদে একটি মোবাইল ফোন দিয়ে আসতে বলে। তবে ওই বখাটের কথায় রাজি না হলে সে শিশুটিকে জোর করে বাড়ির ছাদে নিয়ে যায়। এরপর তাকে ধর্ষণ করে বাড়ির ছাদে ফেলে রেখে বখাটে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি বাড়িতে আসে। বিকালের দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনা জানতে পারে তার পরিবার। পরে তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে রাতেই সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার ওসি মহসিনুল কাদির বলেন, ‘খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে ধর্ষকের পরিচয় না পওয়ায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।’ এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

সেনবাগে স্কুলছাত্রীকে অপহরনের পর ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে ১০ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৫)কে অপহরণ করে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে আবু আশিক মো. ফামির (২২) নামের এক এক যুবক । সেনবাগ থানার ওসি হারুন অর রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ বসুরহাট থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে গতকাল ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

ঘটনার মূলহোতা আবু আশিক মো. ফামিরকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের বিরুদ্ধে সেনবাগ থানায় মামলা করেছেন স্কুলছাত্রীর পিতা।

ঘটনার মূলহোতা ফামির নবীপুর ইউপির গোপালপুর বোতার বাড়ির মৃত শফি উল্ল্যাহর পুত্র। অন্য আসামিরা হলেন- বালিয়াকান্দির রাসেল (২০), মামুন (২২), নোমান (২০), নিশান (২২), আজগর (২৩), আমিরুল (২৫), মাসুদ প্রকাশ বোমা মাসুদ (২৫), গোপালপুরের সায়েম (২০) ও রিপন (২০)।

পুলিশ জানায়, বীজবাগ এনকে উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ওই ছাত্রী ১১ই অক্টোবর স্কুল ছুটির পর প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে তাহের কোম্পানীর বাড়ির সামনে এলে প্রধান আসামি আবু আশিক মো. ফামির নেতৃত্বে ৭/৮ জন যুবক ভিকটিমকে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে পালিয়ে যায়।