নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদককে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি,থানায় অভিযোগ

মোঃ ইমাম উদ্দিন (সুমন), নোয়াখালী প্রতিনিধি:
বৃহত্তর নোয়াখালী সহ সারাদেশে নোয়াখালী কমিউনিটির লোকজনের কাছে জনপ্রিয় দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিনের সম্পাদক ও নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মো: রফিকুল আনোয়ার কে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মোবাইলে এস এম এসের মাধ্যমে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি প্রদান করা হয়েছে। এই হুমকির প্রেক্ষিতে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক রফিকুল আনোয়ার বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় শনিবার রাতে একটি সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করেছেন। ডাইরী নং-৮০১, তাং-১১/১১/১৭।

 

জানা গেছে,  একটি বিশেষ মহল নোয়াখালী প্রতিদিনের নিয়মিত প্রকাশনায় ইষান্বিত। তারা নানাবিদ উপায়ে চেষ্টা করে ও নোয়াখালী প্রতিদিনের অগ্রযাত্রা রোধ করতে না পেরে সম্পাদক ও প্রকাশক রফিকুল আনোয়ার কে গত ৫/৬ বছর একেক সময় একেক মোবাইল থেকে বিভিন্ন উস্কানী ও সন্ত্রাসী মুলক এস এম এস পাঠাত। যে সব মোবাইল গুলো থেকে এস এম এস পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ০১৭৭১৩৩৯৯৩৩ এই নাম্বারটি। সম্পাদক রফিকুল আনোয়ারের ব্যবহৃত ০১৯১১০৮৩৫৪০ নাম্বারে পাঠানো উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারের কোন এস এম এসকে পাত্তা না দিলে ও ১লা ও ৩রা নভেম্বরের এস এম এসকে আমলে নিয়ে পল্টন থানায় সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করেন। ১লা নভেম্বর ০১৭৭১৩৩৯৯৩৩ এই নাম্বার থেকে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক রফিকুল আনোয়ারের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে ০১৯১১০৮৩৫৪০ এই নাম্বারে এস এম এস পাঠানো হয় যে “ পদক বানিজ্যের বিচারটা কলকাতার মাটিতে হবে”। এবং ৩রা নভেম্বর হুমকি প্রদানকারি ইউ এস বাংলা বিমানে করে কলকাতায় যাচ্ছে।

সুতরাং বিষয়টি আমলে নিয়ে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে। রাজধানীর পল্টন থানায় সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করেন। উল্লেখ্য আগামী ১৪ নভেম্বর কলকাতার সত্যজিৎ অডিটোরিয়ামে উদার আকাশ ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশেষ অথিতি ও সম্মাননার জন্য মনোনীত হলেন নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক রফিকুল আনোয়ারের বিরল এ সম্মানের সংবাদ ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে মহল বিশেষ ইষান্বিত হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য দীর্ঘ ৩০ বছর সাংবাদিকতা জীবনে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অসংখ্য সম্মননা প্রদক লাভ করেন এবং সম্মানিত হন।

সংক্ষিপ্ত পরিচিত:

মোঃ রফিকুল আনোয়ার ১৯৬৬ সালের ১লা জানুয়ারী নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার মোহাম্মদ নগর গ্রাম এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আজহাজ আবুল কালাম ও মাতা রেজিয়া বেগম(মৃত)। ৩ ভাই ৪ বোনের মধ্যে রফিকুল আনোয়ার পিতামাতার জ্যেষ্ট সন্তান।তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ১৯৮২ মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি,১৯৮৬ সালে সরকারি মজিব কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে বিএ পাশ করেন।
১৯৮৮ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৯৬ সালে স্বচ্ছায় চাকরী থেকে অব্যাহতি নেন।তিনি ১৯৮২ সালে স্কুল জীবন থেকেই মূলত সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।ফেনীর সাপ্তাহিক গ্রাম দেশের মাধ্যমে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন।১৯৮৪ সালে দৈনিক বাংলাবাণীর কোম্পানীগঞ্জ সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।কলেজে পড়া অবস্থায় জাসদ ছাত্রলীগ প্রচারিকা নামের একটি দলীয় মুখপত্র বের করলে রফিকুল আনোয়ার দিবালোক বার্তা নামে মুজিববাদী ছাত্র লীগের একটি মুখপত্র বের করেন।১৯৯১ সালে তিনি নোয়াখালী থেকে আজকের দিবালোক নামে একটি পত্রিকায় ডিক্লারেশন লাভ করেন।পরবর্তীতে অর্থাভাবে পত্রিকাটি ১৯৯৭ সালে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৮ সালে দৈনিক মাতৃভূমি নোয়াখালী পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত অবস্থায় তৎকালীন ক্ষমতায়সীন দলের জনৈক নেতার সাথে বিরোধীতায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।তিনি স্বপরিবারে নোয়াখালী থেক চট্টগ্রাম চলে যান এবং চট্টগ্রামে থাকা অবস্থায় তিনি সাপ্তাহিক বিচিত্র সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, জাতীয় ম্যাগাজিন সাপ্তাহিক চলতি পত্রের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এর পর তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত দৈনিক নোয়াখালী খরব ও জাতীয় ম্যাগাজিন তথ্যপত্রের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে তিনি নোয়াখালী প্রতিদিন’র ডিক্লারেশন লাভ করার পর থেকে অদ্যাবধি তিনি নিয়মিত ভাবে পত্রিকাটি সম্পাদনা ও প্রকাশনা করে আসছেন।
ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।স্কুল জীবনে মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক’র দায়িত্ব পালন করেন তিনি।১৯৮৪ সালে তিনি সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের বাড়ীর সামনে শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার নামে একটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ঢাকাস্থ নোয়াখালী জেলা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি করতেন। তার রচিত কবিতা, প্রবন্ধ, দৈনিক বাংলার বাণী, দৈনিক খবর সহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক প্রকাশিত হয়।১৯৯১ সালে ফেনীর দাগনভূইয়া উত্তর করিমপুরের হাজী নুরুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে গুলশান আরা বেগমের সঙ্গে তিনি পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন।দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই ছেলে ও এক কন্যা উচ্চ শিক্ষায় অধ্যারনরত। সাংবাদিক আনোয়ার মানবিক বোধসম্পন্ন একজন মানুষ।ক্যান্সার আক্রান্ত নাদিয়ার চিকিৎসা সহায়তার জন্যে তিনি নোয়াখালী প্রতিদিন,ফেইনবুক,টুইটারের মাধ্যমে বিশ্বে যে প্রচারÑপ্রচারণা চালিয়েছেন নোয়াখালীরবাসীর কাছে তা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।সড়ক দূর্ঘটনায় আহত নোয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজের ছাত্রী শ্যামলীর চিকিৎসা সহায়তায় নোয়াখালী প্রতিদিনের প্রচারণাও স্মরণযোগ্য হয়ে থাকনে।

অর্জন
বরাবরই প্রচারবিমুখ রফিকুল আনোয়ার কোন পদক নিতে আগ্রহী নন; তিনি কর্মে বিশ্বাসী। কর্মকে তিনি তাঁর স্বীকৃতি বা পদক মনে করেন।৯০এর দশকে একাধিক পদক পেলেও তা এখন আর তাঁর সংরক্ষণে নেই।জাতীয় ভাবে তিনি আইসিএস পদক লাভ করেন ২০০৬ সালে । এই পদকটি প্রদান করেন বাংলাদেশ ইসলামিক সোসাইটি । ২০১২ জার্নালিষ্ট সোসাইটি ফল হিউম্যান রাইটস এন্ড ওয়েলফেয়ার কর্তৃক তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে মাদার তেরেসা পদক গ্রহণ করেন তিনি ।স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষি ভিত্তিক বিশেষপ্রতিবেদনের জন্যে তিনি নতুন ধারা ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০১৫-২০১৬ সালে বিশেষ সম্মাননা পদক লাভ করেন।২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের সিনিয়র মন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি মিলনাতয়নে শাজাহান খানের কাছ থেকে তিনি উপরোক্ত ২টি পদক লাভ করেন।২০১৬ সালে বাংলাদেশ কবি পরিষদ কর্তৃক সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশ্ব শান্তি পদক লাভ করেন।২০১৭ সালে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে সৃজনবার্তা মৈত্রী পদক লাভ করেন তিনি । উল্লেখ্য উপরোক্ত পদক প্রাপ্তি উপলক্ষে তাঁর নিজ জন্মস্থান নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জে তাকে নাগরিক সংবধণা প্রদান করা হয়।

 

বৃহত্তর নোয়াখালী সহ সারাদেশে নোয়াখালী কমিউনিটির লোকজনের কাছে জনপ্রিয় দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিনের সম্পাদক ও নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মো: রফিকুল আনোয়ার কে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মোবাইলে এস এম এসের মাধ্যমে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি প্রদান করা হয়েছে। এই হুমকির প্রেক্ষিতে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক রফিকুল আনোয়ার বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় শনিবার রাতে একটি সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করেছেন। ডাইরী নং-৮০১, তাং-১১/১১/১৭। জানা গেছে একটি বিশেষ মহল নোয়াখালী প্রতিদিনের নিয়মিত প্রকাশনায় ইষান্বিত।

তারা নানাবিদ উপায়ে চেষ্টা করে ও নোয়াখালী প্রতিদিনের অগ্রযাত্রা রোধ করতে না পেরে সম্পাদক ও প্রকাশক রফিকুল আনোয়ার কে গত ৫/৬ বছর একেক সময় একেক মোবাইল থেকে বিভিন্ন উস্কানী ও সন্ত্রাসী মুলক এস এম এস পাঠাত। যে সব মোবাইল গুলো থেকে এস এম এস পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ০১৭৭১৩৩৯৯৩৩ এই নাম্বারটি। সম্পাদক রফিকুল আনোয়ারের ব্যবহৃত ০১৯১১০৮৩৫৪০ নাম্বারে পাঠানো উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারের কোন এস এম এসকে পাত্তা না দিলে ও ১লা ও ৩রা নভেম্বরের এস এম এসকে আমলে নিয়ে পল্টন থানায় সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করেন।

১লা নভেম্বর ০১৭৭১৩৩৯৯৩৩ এই নাম্বার থেকে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক রফিকুল আনোয়ারের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে ০১৯১১০৮৩৫৪০ এই নাম্বারে এস এম এস পাঠানো হয় যে “ পদক বানিজ্যের বিচারটা কলকাতার মাটিতে হবে”। এবং ৩রা নভেম্বর হুমকি প্রদানকারি ইউ এস বাংলা বিমানে করে কলকাতায় যাচ্ছে। সুতরাং বিষয়টি আমলে নিয়ে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে। রাজধানীর পল্টন থানায় সাধারন ডাইরী নথিভুক্ত করেন। উল্লেখ্য আগামী ১৪ নভেম্বর কলকাতার সত্যজিৎ অডিটোরিয়ামে উদার আকাশ ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশেষ অথিতি ও সম্মাননার জন্য মনোনীত হলেন নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক রফিকুল আনোয়ারের বিরল এ সম্মানের সংবাদ ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে মহল বিশেষ ইষান্বিত হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য দীর্ঘ ৩০ বছর সাংবাদিকতা জীবনে নোয়াখালী প্রতিদিন সম্পাদক জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অসংখ্য সম্মননা প্রদক লাভ করেন এবং সম্মানিত হন।

মোঃ রফিকুল আনোয়ার ১৯৬৬ সালের ১লা জানুয়ারী নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার মোহাম্মদ নগর গ্রাম এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আজহাজ আবুল কালাম ও মাতা রেজিয়া বেগম(মৃত)। ৩ ভাই ৪ বোনের মধ্যে রফিকুল আনোয়ার পিতামাতার জ্যেষ্ট সন্তান।তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ১৯৮২ মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি,১৯৮৬ সালে সরকারি মজিব কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে বিএ পাশ করেন।
১৯৮৮ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৯৬ সালে স্বচ্ছায় চাকরী থেকে অব্যাহতি নেন।তিনি ১৯৮২ সালে স্কুল জীবন থেকেই মূলত সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।ফেনীর সাপ্তাহিক গ্রাম দেশের মাধ্যমে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন।১৯৮৪ সালে দৈনিক বাংলাবাণীর কোম্পানীগঞ্জ সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।কলেজে পড়া অবস্থায় জাসদ ছাত্রলীগ প্রচারিকা নামের একটি দলীয় মুখপত্র বের করলে রফিকুল আনোয়ার দিবালোক বার্তা নামে মুজিববাদী ছাত্র লীগের একটি মুখপত্র বের করেন।১৯৯১ সালে তিনি নোয়াখালী থেকে আজকের দিবালোক নামে একটি পত্রিকায় ডিক্লারেশন লাভ করেন।পরবর্তীতে অর্থাভাবে পত্রিকাটি ১৯৯৭ সালে বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৯৮ সালে দৈনিক মাতৃভূমি নোয়াখালী পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত অবস্থায় তৎকালীন ক্ষমতায়সীন দলের জনৈক নেতার সাথে বিরোধীতায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।তিনি স্বপরিবারে নোয়াখালী থেক চট্টগ্রাম চলে যান এবং চট্টগ্রামে থাকা অবস্থায় তিনি সাপ্তাহিক বিচিত্র সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, জাতীয় ম্যাগাজিন সাপ্তাহিক চলতি পত্রের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এর পর তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত দৈনিক নোয়াখালী খরব ও জাতীয় ম্যাগাজিন তথ্যপত্রের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে তিনি নোয়াখালী প্রতিদিন’র ডিক্লারেশন লাভ করার পর থেকে অদ্যাবধি তিনি নিয়মিত ভাবে পত্রিকাটি সম্পাদনা ও প্রকাশনা করে আসছেন।

ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।স্কুল জীবনে মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক’র দায়িত্ব পালন করেন তিনি।১৯৮৪ সালে তিনি সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের বাড়ীর সামনে শেখ রাসেল স্মৃতি পাঠাগার নামে একটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ঢাকাস্থ নোয়াখালী জেলা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি করতেন। তার রচিত কবিতা, প্রবন্ধ, দৈনিক বাংলার বাণী, দৈনিক খবর সহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক প্রকাশিত হয়।১৯৯১ সালে ফেনীর দাগনভূইয়া উত্তর করিমপুরের হাজী নুরুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে গুলশান আরা বেগমের সঙ্গে তিনি পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন।দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই ছেলে ও এক কন্যা উচ্চ শিক্ষায় অধ্যারনরত। সাংবাদিক আনোয়ার মানবিক বোধসম্পন্ন একজন মানুষ।ক্যান্সার আক্রান্ত নাদিয়ার চিকিৎসা সহায়তার জন্যে তিনি নোয়াখালী প্রতিদিন,ফেইনবুক,টুইটারের মাধ্যমে বিশ্বে যে প্রচারÑপ্রচারণা চালিয়েছেন নোয়াখালীরবাসীর কাছে তা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।সড়ক দূর্ঘটনায় আহত নোয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজের ছাত্রী শ্যামলীর চিকিৎসা সহায়তায় নোয়াখালী প্রতিদিনের প্রচারণাও স্মরণযোগ্য হয়ে থাকনে।

অর্জন
বরাবরই প্রচারবিমুখ রফিকুল আনোয়ার কোন পদক নিতে আগ্রহী নন; তিনি কর্মে বিশ্বাসী। কর্মকে তিনি তাঁর স্বীকৃতি বা পদক মনে করেন।৯০এর দশকে একাধিক পদক পেলেও তা এখন আর তাঁর সংরক্ষণে নেই।জাতীয় ভাবে তিনি আইসিএস পদক লাভ করেন ২০০৬ সালে । এই পদকটি প্রদান করেন বাংলাদেশ ইসলামিক সোসাইটি ।

২০১২ জার্নালিষ্ট সোসাইটি ফল হিউম্যান রাইটস এন্ড ওয়েলফেয়ার কর্তৃক তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে মাদার তেরেসা পদক গ্রহণ করেন তিনি ।স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষি ভিত্তিক বিশেষপ্রতিবেদনের জন্যে তিনি নতুন ধারা ফাউন্ডেশন কর্তৃক ২০১৫-২০১৬ সালে বিশেষ সম্মাননা পদক লাভ করেন।২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের সিনিয়র মন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসটি মিলনাতয়নে শাজাহান খানের কাছ থেকে তিনি উপরোক্ত ২টি পদক লাভ করেন।২০১৬ সালে বাংলাদেশ কবি পরিষদ কর্তৃক সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশ্ব শান্তি পদক লাভ করেন।২০১৭ সালে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে সৃজনবার্তা মৈত্রী পদক লাভ করেন তিনি । উল্লেখ্য উপরোক্ত পদক প্রাপ্তি উপলক্ষে তাঁর নিজ জন্মস্থান নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জে তাকে নাগরিক সংবধণা প্রদান করা হয়।