‘অনুকরনীয় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী’

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত করদাতা হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ‘আয়কর পরিচয়পত্র’ বা কর কার্ড গ্রহণ করেছেন।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রী সভা বৈঠকের শুরুতে অভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর হাতে কর কার্ড তুলে দেন।

বৈঠকশেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৯৮২-৮৩ করবর্ষ থেকে নিয়মিত আয়কর প্রদান করে একটি অনুকরনীয় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সেজন্য এনবিআর একটি স্বীকৃতিফলক তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

চিনি আইন রহিতের সিদ্ধান্ত: আখ চাষীদের উপকর দিতে হবে না

সরকার বিদ্যমান চিনি (সড়ক উন্নয়ন উপকর) আইন রহিত করবে। আইনটি পাস হলে চিনিকল এলাকার আখ চাষীদের আর সড়ক উন্নয়ন উপকর দিতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে একথা জানান।

সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা ১৯৬০ সালের চিনি আইনের স্থলে চিনি (সড়ক উন্নয়ন উপকর) আইন ২০১৭’র খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৬০ সালের বিদ্যমান আইনের কোন প্রয়োজনীয়তা আর নেই। কারণ, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগ এখন রাস্তাঘাট তৈরি ও সংস্কার করছে। কিন্তু এখনো আখ চাষীদের এই অন্যায্য কর দিতে হচ্ছে।

বৈঠকে আবহাওয়া আইন ২০১৭’র খসড়াও অনুমোদিত হয়েছে। এটাই হবে এদেশে আবহাওয়া সম্পর্কিত কর্মকার্তাদের প্রথম কোন আইনী কাঠামো। প্রস্তাবিত আইনটি পাস হলে আবহাওয়া অধিদপ্তর আইনী কাঠামোর আওতায় আসবে। প্রস্তাবিত আইনে আবহাওয়া, আবহাওয়া সম্পর্কিত কার্যক্রম, সুনামী, ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীর সংজ্ঞাও রয়েছে প্রস্তাবিত এ আইনে।

এতে মহাকাশ ও এর বাইরের বায়ুমন্ডল সম্পর্কিত ঘটনাবলী আবহাওয়া কর্মকা- হিসেবে বিবেচিত হবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের জনবলের সক্ষমতা তৈরিতেও এই সংস্থাকে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রমও পরিচালনার কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে।