মাদারীপুরে দু’গুরুপের সংঘর্ষে দোকান- বসতবাড়ী ভাংচুর আহত ২

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুর পৌর শহরের পানিছত্র এলাকায় ছোবাহান মিয়া ও হাবি বেপারীর ইট ভাটার জমির টাকার শালিসের সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায় দু’গুরুপের সংঘর্ষে দোকান পাট ভাংচুর লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে এক মহিলাসহ ২ জন আহত হয়। এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়লে সদর থানার পুলিশ এসে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত করে।

পুুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে যানাযায়, মঙ্গলবার সন্ধার পরে ইট ভাটার মালিক ছোবাহান মিয়ার মের্সাস জে এস এন্টারপ্রাইজ এর অফিস কক্ষে মিমাংশার জন্য ছোবাহান মিয়া ও হাবি বেপারী শালিসিতে কথা কাটাকাটির মধ্যদিয়েই ছোবাহান মিয়ার লোকজন ও টুকু মোল্লার লোকজন উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জরিয়ে পরে এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ভাংচুর লুটপাটে ঘটনা ঘটে। এতে এক মহিলাসহ ২ জন আহত হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়।

এ ব্যাপারে আহত জোসনা বেগস ও ছোবাহান মিয়া বলেন, পাচখোলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ার ম্যান টুকু মোল্লার ও কাউন্সিলর বিপ্লব হাওলাদার তাদের লোকজন নিয়ে আমার বাড়ী ঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও আমার স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এবং আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আলমারী ভেঙ্গে প্রায় ৫ লাখ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ন নিয়ে যায়।

পাচখোলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ার ম্যান মো. টুকু মোল্লার কাছে হামলা, ভাংচুর, টাকা লুটপাটের ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি যানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এর তিব্র প্রতিবাদ জানাই। তবে ছোবাহান মিয়া ও হাবি বেপারীর ইট ভাটার জমির টাকা সংক্রান্ত মিমাংশার সময় শালিসির সময় উভয় পক্ষের লোক জনের কথ কাটাকাটির নিয়ে ধাক্ক-ধাক্কি হয় পরে আমি ছোবাহান মিয়াকে বলে চলে আসি। হামালা করে দোকান পাট ভাংচুর লুটপাটের ঘটনা ঘটে কখন ঘটেছে আমি জানি না। এখন জানতে পারলাম আপনাদের মাধ্যমে।

এব্যপারে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাদারীপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) কামরুল হাসান বলেন ঘটনার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি।