সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত এসআই জহিরের দৌড়ঝাপ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর:

ডিএমপির মিরপুর বিভাগের মিরপুর মডেল থানা পুলিশের এসআই জহিরের কূকীর্তির খবরে গোটা মিরপুর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলেছে। নিরীহ মানুষকে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ে তার কোনো জুড়ি নেই। সম্প্রতি সময়ের কণ্ঠস্বরে তার কূকীর্তির বিষয়ে একটি সংবাদ প্রচারিত হলে তিনি তাতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই; অজুহাত দিয়ে ঘটনাটি অন্য খাতে প্রবাহিত করাসহ সাংবাদিককে বিভিন্ন উপায়ে বিপদে ফেলে জব্দ করার পায়তারা শুরু করেছেন।

জানা গেছে, গত ১৩ই নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় সাজানো এক ঘটনায় কল্যানপুর নতুন বাজার থেকে এসআই জহির তার নিজস্ব পোষ্য একজন মহিলা সোর্সের মাধ্যমে মতিন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে থানায় না এনে পীরেরবাগ পাকা মসজিদ সংলগ্ন ৬০ ফিট রোডে গাড়ি থামিয়ে দশ হাজার টাকার বিনিময়ে আসামীকে ছেড়ে দেয়ার চুক্তি করছিল। ইতিমধ্যে ওই ভুক্তভোগী যুবকের পরিবার থেকে সাংবাদিকদের তথ্য দেয়া হয়, মিথ্যা অভিযোগে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানায় না নিয়ে ২০হাজার টাকা দাবি করছে। আমরা ১০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছি কিন্ত পুরো টাকা যোগাড় করতে পারিনি বলে দারোগা স্যার মতিনকে ছাড়ছে না। মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এসআই জহিরের নিকট ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি হকচকিয়ে যান। আচমকা তিনি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনাটি সাংবাদিককে বলেছিস কেনো; বলেই ওই যুবককে সাংবাদিকের সামনেই বেধরক পেটাতে থাকেন।

সেখানে কালবিলম্ব না করে থানায় আসতে বলেই তিনি যুবককে আবার গাড়িতে তুলে সাংবাদিককে বলেন, থানায় আসেন। এনিয়ে এখানে কথা বলা যাবে না।

থানায় গিয়ে ঘটনার সাজানো বাদীপক্ষ ও বিবাদী পক্ষকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিষয়টি সম্পুর্ণ মিথ্যা প্রমানিত হয়। এক পর্যায়ে জহিরের সাজানো বাদী (নিজস্ব সোর্স) সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভীত হয়ে পড়েন। এসআই জহির বার বার তাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে ঘটনাটি সাজিয়ে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেয়। কিন্ত ওই মেয়ে কোনভাবেই মিথ্যা মামলা করতে রাজি না হলে বিচলিত পরিস্থিতিতে পড়ে যান জহির।

তবুও অন্য মামলায় জড়িয়ে যুবককে জেলে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে তার মায়ের কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা নিয়ে মুচলেকা নিয়ে মতিনকে ছেড়ে দেয় সে।

এ বিষয়ে মতিন জানান, মিথ্যা মামলায় আমাকে জরানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের বিষয় সাংবাদিকরা জেনেছে কেন? সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তার ভয়ে আমি ঢাকা থেকে পালিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যাচ্ছি। ঢাকায় থাকলে সে আমাকে যেকোনো মিথ্যা মামলায় জড়াতেই পারে।

এর আগে প্রকাশিত সংবাদ…

মিরপুর থানা পুলিশের এস.আই জহিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়