বাউফলে ইজিবাইক চালকদের দ্বন্দ: ব্রিজের স্লাব খুলে ফেলায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন!

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ও সূর্যমণি ইউনিয়নের ইজিবাইক চালকদের দ্বন্দের জেরে আলগী নদীর ওপর চলাচলকারী ব্রিজের স্লাব খুলে ফেলায় কেশবপুরের সাথে উপজেলা সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ব্রিজের ৪টি স্লাব খুলে নিচে ফেলে দেয়। এর ফলে কেশবপুর কলেজ, কেশবপুর হাই স্কুল, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।

সরেজমিন দেখে গেছে, কেশবপুরের ইউনিয়নের সাথে উপজেলা সদরের যোগাযোগ সহজ করার জন্য আলগী নদীর ওপর প্রায় ১৩০ মিটার দৈর্ঘ্যরে একটি স্লাবের ব্রিজ নির্মাণ করে ৩ মাস আগে খুলে দেওয়া হয়। ব্রিজটি নির্মাণের ফলে কেশবপুর কলেজ, হাই স্কুল, মাদ্রাসা ও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষের যাতায়াত ঝুঁকিমুক্ত হয়। ব্রিজের উভয় পাশে ইজিবাইক চালকরা অবস্থান করায় প্রায়ই উভয় পাড়ের যাত্রী পরিবহন নিয়ে চালকরা টানা হেচরা করে আসছিল।

চালক বাদল (২০), রিয়াজ (১৯), ইউসুফ ফরাজি (২২) ও রাসেল (২৮) জানান- যাত্রী পরিবহন নিয়ে গত মঙ্গলবার উভয় পাড়ের চালকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয় ভাবে বিষয়টি মিটমাট করে দেন। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে কে বা কাহারা ব্রিজের কেশবপুর অংশের ৪ টি স্লাব খুলে নিচে ফেলে দেয়। ফলে বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। এদিকে ঝুঁকি নিয়ে যাতে কোন মানুষ বা যানবাহন পারাপার হতে না পারে সেজন্য ব্রিজের ওপর গাছ ও গাছের ডাল ফেলে রাখা হয়েছে।

বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলা এলজিইডির এক প্রতিনিধি, সূর্যমণি ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বাচ্চু ও কেশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলু ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত স্লাবগুলো লাগানোর ব্যবস্থা নেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল হক সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, ব্রিজের স্লাব কে বা কাহারা খুলে ফেলেছে সেটা জানা যায়নি। তবে স্লাবগুলো লাগানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।